Latest News

অভিষেকের কর্মসূচি বাতিল করল ত্রিপুরা প্রশাসন, সুপ্রিম কোর্টের পথে তৃণমূল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (abhisek bannerjee) ত্রিপুরা যাওয়া হয়নি, সন্ধের পরে বিশেষ বিমানের অবতরণের অনুমতি মেলেনি বলে। এবার সোমবার ত্রিপুরায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলও বাতিল করল ত্রিপুরা সরকার। কোভিডবিধির কারণ দেখিয়ে দেওয়া হল না অনুমতি। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সোমবারই সুপ্রিম কোর্টে চলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় যাওয়ার কথা ছিল। তার আগে পৌঁছেছিলেন তৃণমূলের একাধিক নেতানেত্রী। অভিষেক পৌঁছনোর আগেই আজ, রবিবার সায়নী ঘোষকে গ্রেফতার করে আগরতলা পুলিশ। এই ঘটনার জেরে রবিবার রাতেই ত্রিপুরা যাবেন বলে ঠিক করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়। তবে শেষমেশ মেলেনি তাঁর বিমান অবতরণের অনুমতি, তাই যাওয়া হয়নি আজ রাতে।

উত্তর-পূর্বের কয়েকটি রাজ্যের বিমানবন্দরে সন্ধ্যা ৭টার পর বিমান ওঠানামা বন্ধ থাকে। তার মধ্যে পড়ে আগরতলা বিমানবন্দরও। তবে অভিষেক রাত ৮টায় বিশেষ বিমানে আগরতলা যেতে চেয়েছিলেন। সেই বিশেষ বিমান নামার অনুমতি দেওয়া হয়নি অভিষেককে। ফলে আগামী কালই যাবেন তিনি।

‘জটায়ুকে দেখে একেনবাবু লিখিনি’, জানালেন স্রষ্টা! এবার বড়পর্দায় আসছেন একেন

তবে শেষমেশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলের অনুমতি দিলই না ত্রিপুরা পুলিশ। তৃণমূল সূত্রের খবর, মিছিল করতে না দিলে বিকল্প কর্মসূচি মাথায় রয়েছে তাদের। তবে পাশাপাশি, সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেও নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব।

ত্রিপুরায় অভিষেকের সফর নিয়ে সমস্যা এই নতুন নয়। গত মাসেও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে সভা করার অনুমতি দিতে চায়নি বিপ্লব দেবের প্রশাসন। সে বার ত্রিপুরা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে ৩১ অক্টোবর আগরতলায় জনসভা করেছিলেন অভিষেক। এবার দুয়ারে পুরভোট। তাই সোমবার পুরভোটের প্রচারেই আগরতলায় মিছিলের কর্মসূচি রয়েছে অভিষেকের। অনুমতি না মেলায় এখন কী হয়, সেটাই দেখার।

অন্যদিকে, গ্রেফতার হওয়া নেত্রী সায়নীর বিরুদ্ধে ৩০৭ নং ধারায় কেস দেওয়া হয়েছে। প্রাণনাশের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে তৃণমূলের যুব নেত্রীর বিরুদ্ধে। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার। ওইদিন সন্ধে সওয়া সাতটা নাগাদ আশ্রম চৌমহনী দিয়ে যাচ্ছিলেন সায়নী ঘোষ। ওই সময় সেখানে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সভা চলছিল। অভিযোগ সাদা স্কর্পিওতে চড়ে সায়নীরা ধেয়ে আসে বিপ্লব দেবের সভার দিকে। এতে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে। আবার হিট অ্যান্ড রানের অভিযোগও আনা হয়।

এর পরে আজ দুপুরে তৃণমূল নেত্রী সায়নীকে আগরতলার থানায় ডেকে জেরা করে গ্রেফতার করার সময় থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ উঠেছে থানায় ঢুকে হামলা চালানোর। থানার বাইরে লাঠি হাতে, হেলমেট পরে বিজেপির দুষ্কৃতীরা জমায়েত করেছে বলে দাবি তৃণমূলের। স্থানীয় তৃণমূল নেতা সুবল ভৌমিকের দাবি, ‘‘পুলিশকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূলের পথরোধ করার চেষ্টা করছে বিজেপি। নেতা কর্মীদের উপর ইটবৃষ্টি চলছে, পুলিশ নীরব দর্শক।’’

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like