Latest News

ভাল খেলেও হল না ভাগ্য বদল, নয় ম্যাচেও জয় অধরা ইস্টবেঙ্গলের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিন পয়েন্টই আসত, কিন্তু ভাগ্য বদল হল না ইস্টবেঙ্গলের। আইএসএলের নয় নম্বর ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ও বেঙ্গালুরু এফসি-র মধ্যে খেলার ফল ১-১ ড্র হল। মোট ৫টি ড্র করলেন লাল হলুদ জার্সিধারীরা।

মনে করা হয়েছিল মঙ্গলবার নতুন বছরে নতুনভাবে শুরু করবে ইস্টবেঙ্গল। প্রথমার্ধে সেইভাবে খেলাও শুরু করেছিল, কিন্তু বিরতির পরে যে ছন্দ বজায় রাখার কথা ছিল, সেটি পারেনি। খেলার শেষ ১৫ মিনিট আবারও আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা গিয়েছিল দলকে, কিন্তু সেইসময় অনেক দেরী হয়ে গিয়েছে।

রেনেডি সিংয়ের কোচিংয়ে ইস্টবেঙ্গলের খেলায় অনেক উন্নতি ঘটেছে। ম্যাচের ২৯ মিনিটে হাউকিপের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল দল। তারপর অবশ্য বেঙ্গালুরু গোল পেয়ে যায় সৌরভ দাসের আত্মঘাতী গোলে। সৌরভ দাস বল ক্লিয়ার করতে গেলেও তাঁর মাথা ছুঁইয়ে বল অরিন্দমকে পরাস্ত করে গোলে ঢুকে যায়। খেলার বয়স সেইসময় ৫৫ মিনিট।

এদিনের যে দল গড়েছিলেন রেনেডি, তাতে ভারতীয়দের আধিক্য ছিল বেশি। সব থেকে বড় কথা, আগের কোচ দিয়াজের প্রিয় পাত্র রাজুকে বসিয়ে পুরো ম্যাচ খেলানো হয়েছে আদিল খানকে। তিনি ম্যাচের সেরা হয়ে প্রমাণ করেছেন, আগের ৮টি ম্যাচে তাঁকে শুরু থেকে না নামিয়ে ভুল করেছিলেন কোচ।

ইস্টবেঙ্গল দলটি এদিন মাঝমাঠে বেশি পাস খেলেছে, উইং দিয়ে আক্রমণে গিয়েছে। কিন্তু চিমার মতো স্ট্রাইকার থাকলে জয়ের আশা ছেড়ে দিতে হয়, সেটিও প্রমাণ হয়েছে আবারও। তিনি প্রতি ম্যাচের মতোই এদিনও ব্যর্থ হলেন।

সৌরভ দাসের আত্মঘাতী গোলের ভুল ছাড়া সেই অর্থে কোনও ভুল হয়নি ইস্টবেঙ্গলের খেলায়। তাৎপর্য্যের বিষয়, কোচ রেনেডির কাছে কৌশল পরিষ্কার ছিল। তিনি আগে থেকে ভেবে রেখেছেন, ম্যাচে কী হলে কী করবেন। কিন্তু পজিটিভ স্ট্রাইকারের অভাবই তাঁকে ভুগিয়েছে।

এই ম্যাচে বেঙ্গালুরু কোচ সুনীল ছেত্রীকে পরে নামিয়েছেন, সেইসময় দল এক গোলে পিছিয়ে ছিল। লাল হলুদের ডিফেন্স গত ম্যাচগুলির চেয়ে মজবুত ছিল। একবার তো হীরা মন্ডল গোললাইন সেভ করেছেন। অন্তবর্তীকালীন কোচ রেনেডির হাতে বিকল্গ ছিল না, তাই তিনি এর চেয়ে ভাল কিছু করতে পারেননি। তারপরেও খেলার ছকে বদল এনে ভাল ফুটবল উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

এর পরে দলের দায়িত্ব নেবেন স্প্যানিশ কোচ মারিও রিভেরা, তিনি এসেও কতটা কী করতে পারবেন সংশয় রয়েছে। একান্ত জানুয়ারিতে উইন্ডো ট্রান্সফারে নতুন কোনও ভালমানের বিদেশী না আনা যায়। রেনেডি তার মধ্যে লড়াকু মেজাজ বজায় রেখেছিলেন। ডাগআউটে তিনি আগাগোড়া ফুটবলারদের তাতিয়ে গিয়েছেন। এদিন জয় এলে দলটি আরও তেতে থাকত।

 

You might also like