Latest News

বিমান বন্দরের কাছেই ফাইভ জি-র টাওয়ার, ভয়ে উড়ানের দিনক্ষণ বদলাচ্ছে নানা সংস্থা

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ফাইভ জি নেটওয়ার্ক (5 G Ntework) চালু হলে বিমান (Plane) ওঠানামায় অসুবিধা হবে। তা থেকে দুর্ঘটনাও (Accident) ঘটে যেতে পারে। আমেরিকায় বিভিন্ন বিমান বন্দরের কাছে ফাইভ জি টাওয়ার বসানোর পরে এমনই ধারণা ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্ব জুড়ে। ফলে নানা দেশের বিমান সংস্থা আমেরিকাগামী উড়ান হয় বাতিল করে দিয়েছে, কিংবা তার দিনক্ষণ স্থির করেছে নতুন করে। আমেরিকায় ফাইভ জি টাওয়ার বসিয়েছে এটি অ্যান্ড টি ইনকর্পোরেটেড এবং ভেরিজন কমিউনিকেশনস ইনকর্পোরেটেড নামে দু’টি সংস্থা।

দুবাইয়ের এমিরেটস এয়ারলাইন্স বলেছে, আমেরিকার কয়েকটি শহরে আপাতত তাদের বিমান ওঠানামা করবে না। ওই শহরগুলির মধ্যে আছে শিকাগো, নেওয়ার্ক এবং সানফ্রানসিস্কো। জাপান এয়ারলাইন্স কোম্পানি ও এএনএ হোল্ডিং ইনকর্পোরেটেড জানিয়েছে, তারাও আমেরিকাগামী কয়েকটি উড়ান বন্ধ রেখেছে। তাছাড়া আমেরিকাগামী ৭৭৭ জেট বিমানগুলির উড়ানও বন্ধ রাখা হয়েছে।

কোরিয়ান এয়ারলাইন কোম্পানি জানিয়েছে, ফাইভ জি পরিষেবার জন্য তাদের ৭৭৭ এবং ৭৪৭-৮ বিমান ওঠানামায় সমস্যা হচ্ছে। এয়ার ইন্ডিয়াও বলেছে, ১৯ জানুয়ারি থেকে তাদের আমেরিকাগামী বিমানের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হবে অথবা উড়ানের দিনক্ষণ বদলে দেওয়া হবে।

বিমান সংস্থাগুলির আশঙ্কা, খারাপ আবহাওয়ায় প্লেন নামানোর জন্য যে যন্ত্রগুলি ব্যবহার করা হয়, ফাইভ জি টাওয়ার সেগুলিকে কাজ করতে বাধা দেবে। বিভিন্ন মার্কিন বিমান সংস্থার পক্ষ থেকেও আশঙ্কা করা হচ্ছে, ফাইভ জি টাওয়ারের জন্য প্লেন ওঠানামার সময় বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। বিমানে রেডার অলটিমিটার নামে একটি যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। মাটি থেকে বিমানের উচ্চতা নির্ধারণ করার জন্য ওই যন্ত্র কাজে লাগে। ফাইভ জি সার্ভিসের জন্য যে ‘সি ব্যান্ড’ ব্যবহার করা হয়, তার কম্পাঙ্কও রেডার অলটিমিটারের কাছাকাছি।

এটি অ্যান্ড টি এবং ভেনিজন মঙ্গলবার রাতে জানিয়েছে, বিমান বন্দরের কাছে যে টাওয়ারগুলি রয়েছে, সেগুলি এখনই চালু করা হবে না।

You might also like