মহিলা সাংবাদিকের ঘাড়ে পেঁচানো সাপ, ক্রমাগত ছোবল হাতে ধরা মাইকে, দেখুন ভিডিও

“বারবার বুমের মধ্যে ছোবল মারছিল সাপটা। আমার ঘাড়েই পেঁচিয়ে ছিল। ওর প্রতিটা ছোবলের খুব কাছেই ছিল আমার হাত। ভয়ে-আতঙ্কে কাঁটা হয়েছিলাম আমি। খালি ভাবছিলাম একটা ছোবলও যদি আমার হাতে পড়ে তাহলে কী হবে?“

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুম হাতে খবর পড়ছিলেন এক মহিলা রিপোর্টার। আচমকাই আর্তনাদ করে ওঠেন তিনি। দেখা যায় মহিলার ঘাড়ে পেঁচিয়ে রয়েছে একটা সাপ। বারবার বুমের মধ্যে ছোবল মারছে সে।

    এমন পরিস্থিতিতে হয়তো জ্ঞান হারিয়ে ফেলাই খুব স্বাভাবিক আচরণ। তবে এই মহিলা রিপোর্টার বেশ সাহসী। কেবল চিৎকার করেই ক্ষান্ত হয়েছেন তিনি। আবার বলেছেন, “বুমের মধ্যে আমার হাতটাও তো ছিল। ভয় পাচ্ছিলাম যে সাপে ছোবলটা না নিজের হাতেই খাই।“

    কিন্তু এমন ভয়ানক কাণ্ড কেন ঘটালেন ওই রিপোর্টার? কারণ একচুল এদিক-ওদিক হলেই তো মৃত্যু অনিবার্য ছিল। সারা কাওয়াতে নামে ওই মহিলা জানিয়েছেন, ‘স্নেক সেফটি’ রিপোর্ট নিয়ে একটি শ্যুটিং চলছিল। তারই দায়িত্বে ছিলেন সারা। অস্ট্রেলিয়ার চ্যানেল ৯-এর রিপোর্টার সারা কাওয়াতে। সেদিনের ঘটনায় অন ক্যামেরা তেমন কিছু বোঝা না গেলেও সারা জানিয়েছেন গোটা ব্যাপারটাই খুবই আতঙ্কে ছিলেন তিনি। সারার কথায়, “বারবার বুমের মধ্যে ছোবল মারছিল সাপটা। আমার ঘাড়েই পেঁচিয়ে ছিল। ওর প্রতিটা ছোবলের খুব কাছেই ছিল আমার হাত। ভয়ে-আতঙ্কে কাঁটা হয়েছিলাম আমি। খালি ভাবছিলাম একটা ছোবলও যদি আমার হাতে পড়ে তাহলে কী হবে?“

    তবে এত আতঙ্কের মাঝেও নিজের কাজে কোনও ফাঁকি দেননি সারা। ভয় পাওয়া অবস্থাতেও তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, “অনেকসময় সাপরাই মানুষকে বেশি ভয় পায়।“ সারা যে ভীষণ ভয় পেয়ে আছেন একবারও চোখেমুখে তা প্রকাশ করেননি। খালি একবারই চেঁচিয়ে ফেলেছিলেন। তবে শ্যুট শেষ করে আর এক মুহূর্ত নষ্ট করেননি সারা। সটান ঘাড় থেকে নামিয়ে ফেলেন সাপটিকে। গোটা শ্যুট চলাকালীন অবশ্য সারা পাশেই ছিলেন একজন সাপ ধরার লোক। ছিলেন সারা ক্যামেরাম্যানও। তবে সকলেই সারাকে দেখে বেজায় হেসেছিলেন। সারার কথায়, “ভয়ের মাঝেও আমার এমন এক্সপ্রেশন দেখেই বোধহয় ওরা হেসে ফেলেছিলেন।“

    ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই ভিডিও। প্রায় সকলেই শিউরে উঠেছেন সারার অবস্থা দেখে। কেউ কেউ তো বলেই বসেছেন, “চাকরির জন্য এমন ভয়ঙ্কর পদক্ষেপ নেওয়া মানে মূর্খামি করা। উনিশ-বিশ হলেও সাংঘাতিক বিপদ হতে পারত।“ কেউবা বলেছেন, “সারার এমন আচরণ দেখে বোঝাই যাচ্ছে নিজের পেশার জন্য সবরকম পদক্ষেপ নিতে তিনি প্রস্তুত। একজন সাংবাদিক তো এমন সাহসীই হবেন। এটাই কাম্য।“

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More