পাকিস্তানের বিমান দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ৯৭, ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ থেকে ৩০টি বাড়ি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার দুপুরে পাকিস্তানের করাচিতে ভেঙে পড়ে একটি যাত্রিবাহী বিমান। জানা যায়, ৯১ জন যাত্রী এবং ৮ জন ক্রু মেম্বার-সহ মোট ৯৯ জন ছিলেন পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের ওই বিমানে। সূত্রের খবর, এই বিমান দুর্ঘটনায় ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য আর একটি সূত্রের দাবি এখনও পর্যন্ত ৮২ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে বাকিদের উদ্ধারের কাজ চলছে। বিমান দুর্ঘটনার পর অনেকেরই ধারনা ছিল সম্ভবত মৃত্যু হয়েছে সকলেরই। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, হয়তো সেই আশঙ্কাই এবার সত্যি হতে চলেছে।

    শুক্রবার বিকেল নাগাদ করাচির জিন্না আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের আগেই ঘন জনবসতি পূর্ণ এলাকায় ভেঙে পড়ে পিআইএ-র এ-৩২০ এয়ারবাস। পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের এক মুখপাত্রের কথায় লাহোর থেকে রওনা হয়েছিল পিকে-৮৩০৩ এই বিমানটি। করাচি বিমানবন্দরের কাছে মালিরের মডেল এলাকায় জিন্না গার্ডেনের কাছে ভেঙে পড়ে বিমানটি। ঘটনাস্থলের কাছেই ছিল জিন্না হাউসিং সোসাইটি। সূত্রের খবর, ভেঙে পড়ার আগেই বিমানে আগুন ধরে যায়। জনবহুল এলাকায় বিমান আছড়ে পড়ায় অসংখ্য বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। অন্তত ২৫ থেকে ৩০টি বাড়ি ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    সবেমাত্র করোনার ধাক্কা খানিকটা সামলে উঠেছিল পাকিস্তান। প্রায় দু’মাস লকডাউনের পর অনেকেই এই বিমানে চড়ে নিজেদের বাড়ি ফিরছিলেন। সামনেই ঈদ। পরিবারের সকলের সঙ্গে দেখা করে উৎসবে মাতোয়ারা হবেন বলেই ভেবেছিলেন তাঁরা। তবে উৎসবের আগেই শেষ হয়ে গেল সবকিছু। জানা গিয়েছে, শুক্রবারের এই বিমানে ছিলেন সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন আধিকারিক। ছিলেন বিভিন্ন সংস্থার এক্সিকিউটিভ এবং ব্যাঙ্কাররাও। ৯৯ জনের মধ্যে ৯৭ জনেরই মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে একটি সূত্রে। এখনও জারি রয়েছে উদ্ধারকাজ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More