শুক্রবার পাকিস্তান জুড়ে ‘ডিফেন্স ডে’ ও ‘কাশ্মীর সলিডারিটি ডে’ পালন হবে, ঘোষণা ইমরান খান সরকারের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: এই শুক্রবার ৬ সেপ্টেম্বরকে ‘ডিফেন্স ডে’ এবং ‘কাশ্মীর সিলিডিটারি ডে’ হিসেবে ঘোষণা করেছে পাকিস্তান সরকার। পাক মন্ত্রকে অন্তর্দেশীয় মন্ত্রকের তরফে বুধবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেখানেই জানানো হয়েছে এই সিদ্ধান্ত। শুক্রবার দুপুর ৩টের পর থেকে বন্ধ রাখা হবে সমস্ত সরকারি অফিস-দফতর।

    কিন্তু হঠাৎ কেন এমন ঘোষণা করল ইমরান খানের সরকার?

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক এবং কূটনৈতিকদের মতে কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর ইসলামাবাদ যতই সরব হোক না কেন, বাস্তবে আন্তর্জাতিক স্তরে বারবার কোণঠাসা হয়েছেন ইমরান খান। এমনকী রাষ্ট্রপুঞ্জের হস্তক্ষেপ দাবি করলেও, এ প্রসঙ্গে টুঁ শব্দও করেনি ইউএন। এর পাশাপাশি জঙ্গি দমন ইস্যুতেই আন্তর্জাতিক স্তরে কোণঠাসা পাকিস্তান। তাই কূটনৈতিকদের অনুমান, আম কাশ্মীরিদের সহানুভূতি পেতেই সম্ভনত এমন ঘোষনা করেছে ইমরান খান সরকার।

    জম্মু-কাশ্মীরের উপর থেকে স্পেশ্যাল স্ট্যাটাস তুলে নেওয়ার পর থেকেই বারবার বিরোধিতা করেছে পাকিস্তান। ইমরান খান, পাক সেনাপ্রধান বাজওয়া, বিদেশ মন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি দাবি করেছেন, কাশ্মীরের মানুষদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। তাঁদের পাশে পাকিস্তান রয়েছে। কাশ্মীরের স্বাধীনতার জন্য সবকিছু করতেই তৈরি তাঁরা। জি ৭ বৈঠক চলাকালীন দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিতে গিয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, “কাশ্মীর সমস্যাকে বিশ্বের মানচিত্রে তুলে ধরেছে পাকিস্তান। এই ব্যাপারে যদি কোনও দেশ পাশে না দাঁড়ায়, তাহলেও কোনও সমস্যা নেই। কারণ কাশ্মীরের ভাইদের পাশে পাকিস্তান ছিল, আছে আর থাকবে। ভারত যেন ভুলে না যায় আমাদের পরমাণু অস্ত্রও রয়েছে। কাশ্মীর ইস্যুতে যতদূর যাওয়া যায়, আমরা যাব।”

    ইমরানের এই বক্তব্যের পরেই রাজস্থানের পোখরানে গিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, “এখনও পর্যন্ত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রশ্নে ভারতের অবস্থান হল, – নো ফার্স্ট ইউজ। অর্থাৎ ভারত আগে পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার করবে না। কিন্তু ভবিষ্যতে কী হবে তা তখনকার পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।” তারপরেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈঠকে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “আমি জানিয়েছি, ভারত সব সময়ই কাশ্মীর নিয়ে আলোচনায় রাজি। কিন্তু আলোচনা হবে সন্ত্রাস ও হিংসামুক্ত পরিবেশে।” ভারতের তরফে এই বক্তব্যের পরেই নিজের কথা থেকে সরে আসেন ইমরান। সুর নরম করে জানান, পাকিস্তান আগে পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার করবে না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More