রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৫

মুখ ফস্কে ‘ইন্ডিয়ান স্টেট অফ কাশ্মীর’, পাক বিদেশমন্ত্রীর ফুলটসে ছক্কা হাঁকাচ্ছে ভারত

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাশ্মীর নিয়ে যখন নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদ কূটনৈতিক টানাপড়েন তুঙ্গে, তখন ফুলটস বল দিয়ে ফেললেন ইমরান খানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মহম্মদ কুরেশি। আর তা নিয়েই এখন ছক্কা হাঁকাচ্ছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে সোশ্যাল মিডিয়া।

মঙ্গলবার সুইৎজারল্যান্ডের জেনিভায় রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার পরিষদের বৈঠক চলছে। তার মাঝেই পাক বিদেশমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “নয়াদিল্লি দাবি করছে কাশ্মীরে নাকি সব স্বাভাবিক। উপত্যকায় নাকি শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাহলে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিরোধী নেতাদের সেখানে ঢুকতে বাধা দিচ্ছে কেন?” এই কথার মাঝেই কুরেশি বলেন, “এতই যদি শান্ত থাকে তাহলে ইন্ডিয়ান স্টেট অফ কাশ্মীরে এত বিধিনিষেধ কেন? কার্ফু তুলে নিক। সবাইকে আসতে দিক। আসলে সারা দুনিয়ার সামনে ডাহা মিথ্যে কথা বলছে। কাশ্মীরের আসল ছবিটা সামনে আসতে দিচ্ছে না। ওরা মিথ্যেবাদী।”

কিন্তু সব ছেড়ে এখন কুরেশির মুখ নিঃসৃত ‘ইন্ডিয়ান স্টেট অফ কাশ্মীর’কেই লুফে নিয়েছে গোটা ভারত। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে ট্রোল। অনেকে বলতে শুরু করেছেন, ৭২ বছরে এই প্রথম পাকিস্তান স্বীকার করে নিল কাশ্মীর ভারতেরই অংশ। টুইটারে বন্যা বইছে ট্রোলের। ও দিকে পাকিস্তানি জনতাও বিরক্ত। তাঁরাও সুর চড়িয়েছেন নিজেদের বিদেশমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তাঁদের বক্তব্য, কাশ্মীর নিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে একজন বিদেশমন্ত্রী যখন কথা বলছেন এত স্পর্শকাতর বিষয়ে, তিনি আরও সতর্ক ও সংযত হয়ে বলবেন না? এই পরিস্থিতিতে এমন কথা কেউ বলে?

অনেকে আবার এ-ও বলছেন, পাক বিদেশমন্ত্রী ভারত অধিকৃত কাশ্মীর বলতে গিয়ে মুখ ফস্কে ‘ইন্ডিয়ান স্টেট অফ কাশ্মীর’ বলে ফেলেছেন। কিন্তু এমন সুযোগ যদি দিল্লি পায়, তাহলে ছাড়বে কেন! এখন এই নিয়েই তোলপাড় সংবাদমাধ্যম থেকে সোশ্যাল মিডিয়া।

Comments are closed.