মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২১
TheWall
TheWall

সমুদ্র আনলো চিনা নাবিকের প্রেমপত্র, প্রিয়তমাকে খুঁজতে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া।

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জানা যায়নি, সমুদ্রে কত বছর ধরে মুখবন্ধ বোতলে ভাসছিল এক নাবিকের প্রেমপত্র । কিন্তু তাঁর আশার তরী কিনারা পেয়েছে কয়েক সপ্তাহ আগে। অক্ষত অবস্থায় বোতলটি এসে ঠেকেছে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের আরলাই সৈকতে। সমুদ্র সৈকতে হাঁটছিলেন কুইন্সল্যান্ডের ট্যুর অপারেটর ড্যানিয়েল ম্যাকনেলি। বোতলটি তাঁরই পায়ে এনে ফেলে নীলসাগরের ঢেউ। ড্যানিয়েল দেখেন গুগলি শামুক ধরা বোতলের ভেতর একটি চিঠি। সঙ্গে সঙ্গে ড্যানিয়েল ছবি তুলে আপলোড করে দেন ফেসবুকে।

ফেসবুকে এই ছবিটি আপলোড করেন ড্যানিয়েল

ফেসবুক  ক্যাপশনে ড্যানিয়েল লিখেছিলেন,বোতলের মুখ খোলার অপেক্ষায় থাকুন। বোতল খুলে ড্যানিয়েল দেখেন বোতলের ভেতর  চিনা  ভাষায় লেখা এক চিঠি। চিঠিটি অনুবাদের জন্য ফেসবুকেই অনুরোধ জানান তিনি। ড্যানিয়েলের পোস্ট মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সাহায্যের বন্যা বয়ে যায় ফেসবুক,ট্যুইটারে। জানা যায় এটি একটি প্রেমপত্র, যা তাঁর প্রেমিকাকে লিখেছেন একজন নাবিক । অনুবাদক র‍্যাচ এলি  চিঠির  ছবিটি শেয়ার করেন। শেয়ার করতে শুরু করেন অস্ট্রেলিয়া ও চিনের লক্ষ লক্ষ ফেসবুক ইউজার। যাতে প্রেমিকা তাঁর প্রেমিকের চিঠিটির খোঁজ পান।অস্ট্রেলিয়ার একজন ব্লগার এই চিঠির বিষয়টি চিনা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ওয়েইবোতে শেয়ার করে অনুরোধ করেন, ”চিনে একশো ৪০ কোটি মানুষ রয়েছেন। আমি খুব বেশি মানুষকে চিনি না। আপনারা কি এই নারীকে খুঁজে বের করতে সহায়তা করতে পারেন?

 

চীনা  ভাষায় লেখা  চিঠি থেকে জানা যাচ্ছে, ভারত মহাসাগর পার হওয়ার সময়,  প্রেমিকাকে ওই  চিঠিটি লিখে বোতলে ভরে সমুদ্রে ফেলে দেন  চীনা নাবিক। চিঠিতে লেখা ছিল , ” বাগদান পর্বের পর আমি সমুদ্রে চলে এসেছি। আমার হৃদয়ের গভীরতম স্থল থেকে  আমি আমার প্রিয়তমাকে অনুভব করছি। তার জন্য আমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে।  এই বোতলটি  আমার সেই  প্রিয়তমার প্রতি ভালবাসার সামান্য চিনহ। আমি সবসময় আমার জিং’কে মিস করছি । যদি আমি এখন বাড়িতে ফিরে যেতে পারতাম, যদি আমি জিং-এর সঙ্গে সবসময় থাকতে পারতাম।”

এই সেই প্রেমপত্র

হয়ত ব্যাকুল নাবিক ভাবেননি  সত্যিই কেউ বোতলটি পাবে। হয়ত নিজের মনকে সান্ত্বনা দিতেই  চিঠিটি বোতলে ভরে তিনি সমুদ্রে ফেলে দেন। তবে এখনও পর্যন্ত চিঠির সেই নাবিক বা  তাঁর প্রিয়তমা নারীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। যদিও হন্যে হয়ে আজও তাঁদের খুঁজে চলেছে বিশ্বের সোশ্যাল মিডিয়া।

Share.

Comments are closed.