ইস্টারের ব্রেকফাস্টে হাসিমুখে ফ্রেমবন্দি তাঁরা, মুহূর্তেই সব শেষ, সাংগ্রি-লা’র বিস্ফোরণে নিহত শ্রীলঙ্কার সেলেব শেফ ও তাঁর মেয়ে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরিবারের সঙ্গে ইস্টারের স্পেশ্যাল ব্রেকফাস্ট খেতে সাংগ্রি লা-তে গিয়েছিলেন নিসঙ্গ মায়াদুন্নে। তবে এই ব্রেকফাস্টের মধ্যমণি ছিলেন তাঁর মা শান্থা মায়াদুন্নে। শ্রীলঙ্কায় শান্থাকে প্রায় সকলেই একডাকে চেনেন। হবে নাই বা কেন। সেলিব্রিটি শেফ বলে কথা।

সুস্বাদু খাবারের সঙ্গে জমিয়ে ব্রেকফাস্ট করার সময়েই সাংগ্রি লা থেকেই একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন নিসঙ্গ। রবিবার সকাল ৮টা ৪৭ মিনিটে ঐ ছবি পোস্ট করেন তরুণী। তারপরেই সব শেষ। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তীব্র বিস্ফোরণ হয় কলম্বোর অন্যতম বিখ্যাত পাঁচতারা হোটেল ‘সাংগ্রি লা’-তে। নিমেষেই শেষ হয়ে গেলেন নিসঙ্গ এবং তাঁর মা শান্থা। মুহূর্তেই এ খবর ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

নিসঙ্গের কলেজের বান্ধবী রাধা ফন্সিকা গালফ নিউজকে জানিয়েছেন, “ভাগ্যই ওঁদের এমন পরিণতির জন্য দায়ী। আমি খুবই ভেঙে পড়েছি।“ রাধা আরও জানান, কলেজে নিসঙ্গ খুবই বিখ্যাত ছিলেন। বিশেষ করে তাঁর মায়ের জন্য সকলেই প্রায় নিসঙ্গকে চিনতেন। হাসিখুশি প্রাণোচ্ছ্বল নিসঙ্গের সঙ্গে সকলেরই বন্ধুত্ব ছিল। রাধা বলেন, “ওঁদের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর হতবাক হয়ে গিয়েছি। বুঝতেই পারছি না ঠিক কী করা উচিত। নিসঙ্গ আর ওঁর মা গোটা শ্রীলঙ্কার জন্য অনুপ্রেরণা ছিলেন।“

তবে বরাত জোরেই এ যাত্রায় রক্ষা পেয়েছেন চেন্নাইয়ের বাসিন্দা রাধিকা শরতকুমার। ছুটি কাটাতে শ্রীলঙ্কা গিয়েছিলেন রাধিকা। উঠেছিলেন ‘সিনামন গ্র্যান্ড’ হোটেল। তবে ইস্টার সানডে’র দিন হোটেলে বিস্ফোরণের খানিক আগেই হোটেল ছেড়ে দেন তিনি। বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরেই টুইট করে রাধিকা লিখেছেন, “ভাবতেই পারছি না। হোটেল ছাড়ার পরেই বিস্ফোরণ হয়েছে। ভগবান সবার সহায় হোন।“

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More