কমলা হ্যারিস প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট হলে তা আমেরিকার অপমান, বিতর্কিত মন্তব্য ট্রাম্পের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণের মধ্যেই আমেরিকায় জোর কদমে চলছে নির্বাচনের প্রচার। একদিকে জো বিডেন ও কমলা হ্যারিস একযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলছেন, তো অন্যদিকে নিজের কায়দায় প্রচারে ব্যস্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সরাসরি ব্যক্তিগত আক্রমণ করছেন তিনি। ফের একবার কমলা হ্যারিসকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। বলেছেন, কমলা হ্যারিস আমেরিকার প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট হলে তা আমেরিকার জন্য অপমানজনক হবে।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদের লড়াইয়ে নামা ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী জো বিডেন নিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসের নাম ঘোষণা করেছেন। তাই এবার তাঁরা ভোটে জিতলে আগামী নির্বাচনে সরাসরি প্রেসিডেন্ট পদ প্রার্থী হতে পারেন হ্যারিস। সেই বিষয়কেই তুলে এনেছেন ট্রাম্প।

উত্তর ক্যারোলিনাতে একটি নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প বলেন, “এটা খুবই সহজ কথা। যদি বিডেন জেতেন, তাহলে চিন জিতবে। আপনারা এখন এমন একটা পরিস্থিতিতে রয়েছেন, যখন আমরা বিশ্বের ইতিহাসে সবথেকে বড় অর্থনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছিলাম, কিন্তু আমাদের সব কাজ বন্ধ করে দিতে হয়েছে, কারণ চিনের প্লেগ এসে গেছে। আমাদের আবার তা শুরু করতে হবে।”

তারপরেই সরাসরি কমলা হ্যারিসকে আক্রমণ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “মানুষ ওনাকে পছন্দ করেন না। কেউ ওনাকে পছন্দ করেন না। উনি কখনই আমেরিকার প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট হতে পারেন না। এটা হলে তা আমাদের দেশের জন্য অপমানজনক।”

এখানেই থেমে থাকেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড় থেকে নিজেকে সরিয়ে ফেলেছিলেন কমলা হ্যারিস। তারপরেও বিডেনের ওনাকে নেওয়া খুবই আশ্চর্যের। ট্রাম্প বলেন, “হ্যারিস দৌড় থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও বিডেনের ওনাকে নেওয়া খুবই আশ্চর্যের। কারণ খাতায় কলমে ওনাদের ক্যালিফোর্নিয়া জেতা উচিত। কিন্তু আমি জানি, আমরা ওদের বিরদ্ধে লড়াই দেব। আপনি তাঁকেই পছন্দ করবেন, যিনি লড়াই করতে জানেন।”

বিডেন ভোটে জিতলে প্রকারান্তরে তা চিনের জয় হবে বলে আরও একবার অভিযোগ করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “এটা পরিষ্কার কেন চিন ও দাঙ্গাকারীরা চাইছে বিডেন জিতুক। কারণ তারা জানে, তাহলেই আমেরিকার ক্ষতি করা যাবে। আমরা চিনের সঙ্গে একটা বড় চুক্তি করেছিলাম। কিন্তু সেই চুক্তির কালি শুকিয়ে যাওয়ার আগেই এই প্লেগ ছড়িয়ে গেল। তাই আগে যেভাবে চুক্তি হয়েছিল, এবার অন্যভাবে চুক্তি করব আমরা।”

আগামী ৩ নভেম্বর আমেরিকায় নির্বাচন হওয়ার কথা। ট্রাম্প বিরোধী হাওয়াকে কাজে লাগাতে জোর কদমে নেমে পড়েছেন বিডেন ও হ্যারিস। অন্যদিকে প্রচার চালাচ্ছেন ট্রাম্পও। করোনা পরবর্তীতে আমেরিকার মানুষ কাকে পছন্দ করেন সেটাই দেখার।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More