সোমবার, আগস্ট ১৯

ডিভোর্স চেয়েছিলেন স্ত্রী, গলায় ফাঁস লাগিয়ে বাথটবের জলে ডুবিয়ে মারলেন স্বামী

দ্য ওয়াল ব্যুরো : স্বামীর কাছে ডিভোর্স চেয়েছিলেন স্ত্রী। জানিয়েছিলেন, এই সম্পর্কে তিনি আর থাকতে চান না। সেই রাগে স্ত্রীকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে বাথটবের জলে ডুবিয়ে মেরে ফেলেন স্বামী। ১২ বছর আগে ঘটে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ডের কিনারা করল মার্কিন আদালত। দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে ভারতীয় ব্যক্তিকে। ২৩ অগস্ট শোনানো হবে সাজা।

১৪ বছর আগে অবতার গিলের সঙ্গে বিয়ে হয় নবনীত কৌরের। ভারতে তাঁদের বিয়ে হলেও দু’জন থাকতেন দুই দেশে। অবতার থাকতেন কানাডাতে ও নবনীত থাকতেন আমেরিকাতে। বিয়ের পর থেকেই দু’জনের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। অবতার প্রায়ই নবনীতকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করতেন তিনি কোথায় আছেন, কী করছেন? কখনও ফোন না তুললে নবনীতের অফিস এমনকী বন্ধুবান্ধবকেও ফোন করতেন অবতার।

এই নিয়ে দু’জনের মধ্যে অশান্তি ক্রমেই বাড়তে থাকে। এর মধ্যেই নবনীতের হার্ট সার্জারির দরকার হলে তিনি আমেরিকায় চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু অবতার চেয়েছিলেন তিনি কানাডাতে চিকিৎসা করান। এই নিয়েও দু’জনের মধ্যে অশান্তি হয়।

২০০৭ সাল নাগাদ নবনীত অবতারকে ফোন করে জানান, তিনি ডিভোর্স চান। তখন অবতার বলেন, তাঁদের কথা বলা উচিত। কানাডা থেকে আমেরিকা পাড়ি দেন অবতার। অবতারকে অ্যারিজোনাতে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন নবনীত। সেখানেই নাকি দুজনের মধ্যে ফের অশান্তি শুরু হয়। ঝগড়া চরমে ওঠে। তখনই নবনীতের গলায় ফাঁস লাগিয়ে বাথটবের মধ্যে তাঁকে ডুবিয়ে মারেন অবতার।

এই ঘটনার পর পালিয়ে ভারতের চলে আসেন তিনি। এতদিন ধরে আমেরিকার কোর্টে সেই মামলা চলছিল। ভারত সরকারের সঙ্গে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ভারতের তরফে অবতারকে মার্কিন সরকারের হাতে হস্তান্তরিত করা হয়। তারপরেই তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত।

Comments are closed.