বেইরুট বন্দরে বিধ্বংসী আগুন, বিস্ফোরণের একমাসের মধ্যেই আতঙ্ক লেবাননে

১৮

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক মাস আগেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল লেবাননের রাজধানী বেইরুট। শহরের বন্দর এলাকায় ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে শ্মশানের চেহারা নিয়েছিল বেইরুটের বন্দর এলাকা। চারদিকে রক্ত আর ধ্বংসের ক্ষত এখনও মেটেনি। আর তারমধ্যেই ফের একবার বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড হল সেই বন্দর এলাকাতেই। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে চারদিক।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বন্দরের একটি গুদামঘরে লাগে আগুন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশেপাশে। লেবাননের সেনাবাহিনী সূত্রে খবর, বেইরুটের বন্দর এলাকায় যে গুদামঘরে আগুন লাগে, সেখানে জ্বালানি তেল, গাড়ির টায়ারের মতো দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল। তাই সঙ্গে সঙ্গে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।

বেইরুটের দমকল বিভাগের প্রধান মিশেল এল মুর জানিয়েছেন, আগুন লাগার পরেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ নিহত হননি বলেই খবর। যদিও আগুন লাগার পরে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মিশেল এল মুর জানিয়েছেন, ওই গোদামে দাহ্য পদার্থ থাকলেও ঠিক কোন ধরনের পদার্থ ছিল, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে আগুন খুব দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসন উদ্ধারকাজ শুরু করে। যত দ্রুত সম্ভব আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এখনও আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলেই খবর।

এর আগে ৪ অগস্ট বেইরুটের বন্দরে বিধ্বংসী বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা বেশ কয়েক কিলোমিটার ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়ে প্রায় ১৫০ মানুষের। আহত হন ছ’হাজারের বেশি মানুষ। শুধু তাই নয়, বন্দর এলাকার আশেপাশে থাকা এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। বাড়িঘর ভেঙে পড়ে। তার ফলে গৃহহীন হয়ে পড়েন কয়েক হাজার মানুষ।

পরে লেবানন সরকারের তরফে জানানো হয়, বন্দরের একটি গুদামে গত ছ’বছর ধরে প্রায় ২৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মজুত করা ছিল। সার ও বোমা তৈরির জন্য ওই সরঞ্জাম মজুত ছিল। কিন্তু সেই মজুত সরঞ্জামের দিকে কোনও নজর দেয়নি প্রশাসন। কোনও সুরক্ষাবিধি মানা হয়নি বলেই অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দেয় সরকার। তার এক মাসের মধ্যেই ফের ওই এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More