কোভিড নিয়ে ভুল বার্তা, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ ফেসবুক, টুইটারের

৩৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ সম্প্রতি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হাসপাতালেও ভর্তি করতে হয় তাঁকে। কিন্তু কিছুদিন পরেই হাসপাতাল থেকে ফিরে এসে ট্রাম্প বলেন, করোনাভাইরাস অন্য সাধারণ ফ্লুয়ের মতোই। একে ভয় পাওয়ার বিশেষ দরকার নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভুল বার্তা দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে ফেসবুক ও টুইটার।

ইতিমধ্যেই ট্রাম্পের পোস্ট মুছে ফেলেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তার আগেই ২৬ হাজার শেয়ার হয়ে গিয়েছে সেই পোস্ট। ফেসবুকের এক আধিকারিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, “আমরা কোভিডের সংক্রমণ সংক্রান্ত ভুল তথ্য মুছে দিয়েছি।” ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এর আগেও অনেকবার পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ফেসবুককে আবেদন করা হলেও অনেক ক্ষেত্রেই সেই আবেদন মানা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে ফেসবুকের বিরুদ্ধে। কিন্তু এবার নিজে থেকেই ব্যবস্থা নিল তারা।

এর আগে অগস্ট মাসে ট্রাম্পের পোস্ট মুছে দিয়েছিল ফেসবুক। তখন ট্রাম্প পোস্ট করে বলেছিলেন, শিশুদের কোভিড আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একদম নেই। অথচ শিশুদের মধ্যে একটা বড় অংশই এই ভাইরাসের কবলে এসেছে। তাই ট্রাম্প ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন, সেই অভিযোগে সেই পোস্টও মুছে দেয় জুকারবার্গের সংস্থা।

অন্যদিকে আর এক সোশ্যাল মিডিয়া টুইটার কর্তৃপক্ষ ট্রাম্পের এই বিষয়ক টুইট রিটুইট করার অপশন মুছে দিয়েছে। সেইসঙ্গে ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, কোভিড ১৯ সংক্রান্ত ভুল তথ্য দিয়ে মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছেন ট্রাম্প যা তাদের নিয়মের বিরোধী। তাই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পের টুইট মুছে দেয়নি তারা।

২০১৯-২০ সালে ইনফ্লুয়েঞ্জার কবলে পড়ে ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল আমেরিকায়। কিন্তু চলতি বছর আমেরিকায় প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ার পর এখনও পর্যন্ত ২ লাখ ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে সেখানে। অর্থাৎ ইনফ্লুয়েঞ্জার থেকে ১০ গুণ বেশি মানুষের মৃত্যু ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে করোনা আক্রান্ত হয়ে, যা বিশ্বে সবথেকে বেশি। তাহলে ট্রাম্প কী ভাবে কোভিড ১৯-কে ইনফ্লুয়েঞ্জার সঙ্গে তুলনা করলেন সেই প্রশ্নই তুলছেন অনেকে।

সোমবার ট্রাম্প আমেরিকাবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিয়ে বলেন, কোভিড ১৯-কে ভয় না পেয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসুন। সেদিনই ওয়াশিংটনের বাইরে সেনা হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয় ট্রাম্পকে।

এদিকে ট্রাম্পের প্রচার দলের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, “সংবাদমাধ্যম ও বিরোধীরা বারবার বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভাবমূর্তি খারাপ করার চেষ্টা করেছে। এমনকি প্রেসিডেন্ট যখন করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, সেই মুহূর্তেও তারা এই কাজই করে যাচ্ছে।” ফেসবুক ও টুইটার কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপের পরে অবশ্য ট্রাম্পের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More