১২০ কিলোমিটার বেগে ছুটল ‘টুকটুক’, ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ে গিনেস বুকে নাম তুললেন দুই ভাই

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নাম তার টুকটুক। নাহ্‌ সাধের কোনও পোষ্য কিংবা কারও আদুরে ডাকনাম নয়। বরং এ নাম একটি গাড়ির। ঠিক গাড়িও বলা চলে না। অনেকটা ওই অটো এবং হালফিলে টোটোর মতো।

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আজকাল টোটোর চল। মফস্বলের রাস্তাঘাটে রীতিমতো অটোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলে এই টোটো। অনেক জায়গায় এরই নাম টুকটুক। তবে শুধু এ রাজ্যে নয় বিদেশের মাটিতেও (পড়ুন ব্যাংকক-তাইল্যান্ড) সব ভালো হলেও সমস্যা একটাই। স্পিড একটু কম। তবে গরমকালে চড়ে কিন্তু বেশ আরাম। কতকটা ওই ফিটন গাড়ির মতো দিব্য হাওয়া খেতে খেতে যাওয়া যায়।

কিন্তু এই টুকটুক নিয়ে যে কেউ কোনও দৌড় প্রতিযোগিতায় নামতে পারে তা বোধহয় জানা ছিল না কারও। তবে সম্প্রতি এই টুক্টুক নিয়েই সবাইকে তাক লাগিয়ে এ বার ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছেন ব্রিটেনের ব্যবসায়ী ম্যাট এভারার্ড এবং তাঁর তুতো ভাই রাসেল শেরম্যান। এলভিংটন এয়ারফিল্ডে ঘণ্টায় প্রায় ১২০ কিলোমিটার গতিবেগে টুকটুক চালিয়েছেন এই দুই ভাই। টার্গেট ছিল প্রতি ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার বেগে টুকটুক চালাবেন তাঁরা। তবে সে সব ভেঙে প্রতি ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে টুকটুক চালিয়েছেন দুই ভাই। জায়গা করে নিয়েছেন, গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

মাস পাঁচেক আগে ব্যবসার কাজে তাইল্যান্ড গিয়েছিলেন ম্যাট। সেখানেই ৩ হাজার পাউন্ড দিয়ে একটি টুকটুক কেনেন তিনি। তারপর সেটাকে মডিফাই করতে শুরু করেন ম্যাট এভারার্ড এবং রাসেল শেরম্যান। সাড়ে তিনশো সিসি-র ইঞ্জিন বদলে ১৩০০ সিসি-র ফুয়েল ইঞ্জিন লাগান তাঁরা। আগামী দিনে ১৬০ কিলোমিটার গতিবেগে টুকটুক চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে এই দুই ভাইয়ের। তবে আপাতত নিজেদের সাফল্যে দারুণ খুশি ম্যাট এবং রাসেল। তাঁরা বলছেন, “মনে হচ্ছে চাঁদে পৌঁছে গিয়েছি। ভীষণ আনন্দ হচ্ছে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More