চোরাশিকারিরা মেরে ফেলেছে মাকে, বুঝতে না পেরে ডেকে তোলার চেষ্টা বাচ্চা গণ্ডারের, ভিডিয়ো ভাইরাল

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : চোরাশিকারিদের হাতে প্রাণ গিয়েছে মায়ের। কেটে নেওয়া হয়েছে তার খড়্গও। জঙ্গলের মধ্যে পড়ে রয়েছে বিশাল দেহ। কিন্তু বাচ্চা গণ্ডার তো আর তা বুঝতে পারছে না। ভেবেছে মা হয়তো ঘুমোচ্ছে। এখুনি উঠবে। আর তাই মাকে ডেকে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করছে সে। কিন্তু কিছুতেই তো সাড়া দিচ্ছে না মা!

    সম্প্রতি এমন একটা ভিডিয়ো শোরগোল ফেলেছে নেট দুনিয়ায়। ভিডিয়োটি অবশ্য এক বছর আগের। দক্ষিণ আফ্রিকার এক জঙ্গলে তোলা। সেই ভিডিয়ো মঙ্গলবার শেয়ার করেছেন ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস ( আইএফএস ) অফিসার পরভীন কাসওয়ান। ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, চোরাশিকারিদের হাতে প্রাণ হারিয়ে জঙ্গলের মধ্যে পড়ে রয়েছে একটি গণ্ডার। তার ছোট্ট বাচ্চা তাকে তোলার অনেক চেষ্টা করছে। কিন্তু উঠছে না দেখে গুঁতোও মারছে। ৪৫ সেকেন্ডের এই ভিডিয়ো মন খারাপ করে দিয়েছে সবার।

    অনেকে এই ভিডিয়ো রিটুইট করেছেন। কেউ বলেছেন, সত্যি মানুষের থেকে খারাপ বোধহয় আর কেউ হয় না। একটা খড়্গের জন্য বা দাঁতের জন্য একটা প্রাণী মারতে তাদের হাত কাঁপে না। কেউ আবার বলেছেন, সব দেশের উচিত, চোরাশিকারিদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া। নইলে বাস্তুতন্ত্রর ক্ষতি হচ্ছে। অনেকেই নিজেদের রাগ প্রকাশ করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি ন্যাশনাল পার্কে চোরাশিকারিদের হাতে প্রাণ গিয়েছিল এই গণ্ডারটির। অনেকক্ষণ ওই অবস্থাতেই পড়ে ছিল সে। খবর পেয়ে বনদফতরের কর্মীরা গিয়ে তার দেহ নিয়ে আসে। কিন্তু বাচ্চা গণ্ডারটিকে কোনওভাবেই সরানো যাচ্ছিল না। তাই প্রথমে তাকে ঘুমের ওষুধ মেশানো গুলি ছুঁড়ে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়। তারপর তাকে অনাথ গণ্ডারদের থাকার জায়গায় নিয়ে আসা হয়। গণ্ডারটির নাম রাখা হয়েছিল শার্লট।

    পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বের ৮০ শতাংশ গণ্ডার দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া যায়। কিন্তু ২০১৮ সালে ৭৬৯টি গণ্ডারকে মেরে ফেলেছে চোরাশিকারিরা। এই ঘটনা ভাবাচ্ছে পশুপ্রেমী সংগঠনগুলিকে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More