মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৮
TheWall
TheWall

পার্ল হারবারে নৌসেনার ঘাঁটিতে হামলা, আহত ৩, আত্মঘাতী বন্দুকবাজ

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে বন্দরে নৌসেনার ঘাঁটিতে হামলা চালাল এক বন্দুকবাজ। বুধবার এই হামলায় জখম হয়েছেন ৩ জন। তাঁদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পুলিশ সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, হামলা চালানোর পর আত্মঘাতী হয়েছে ওই বন্দুকবাজও। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবারের এই হামলার পিছনে রয়েছে এক মার্কিন নাবিক। স্থানীয় সময় বুধবার রাত আড়াইটে নাগাদ পার্ল হারবারের নৌসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালায় ওই বন্দুকবাজ। প্রায় একঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা হয় পার্ল হারবারের সমস্ত পরিষেবা।

জানা গিয়েছে, এই ঘটনার দিন পার্ল হারবারে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ার চিফ মার্শাল আরকেএস ভাদোরিয়া এবং তাঁর টিম। তবে বন্দুকবাজের হামলার সময় বায়ুসেনার বেস এলাকায় ছিলেন তাঁরা। তাই এ যাত্রায় কোনও ক্ষতি হয়নি তাঁদের। পার্ল হারবারের নাভাল বেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তাঁরা। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, কেনই বা ওই বন্দুকবাজ হামলা চালাল, আততায়ীর পরিচয়ই বা কী—–এইসব কিছু জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত। কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা এলাকা। চলছে তল্লাশিও।

পুলিশ জানিয়েছে, এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, “নিজের কম্পিউটাররে বসে কাজ করছিলাম আমি। আচমকাই শব্দ পেয়ে ছুটে যাই। দেখি নাবিকের পোশাক পরা এক বন্দুকবাজ নাগাড়ে গুলিবর্ষণ করছে। মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন তিনজন। তারপর হঠাৎই নিজেকেও গুলি করল ওই আততায়ী।“ পার্ল হারবারের এই বেস এলাকা বায়ুসেনা এবং নৌসেনা যৌথভাবে পর্যবেক্ষণ করে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, দক্ষিণদিকের প্রবেশ এলাকা দিয়েই হামলার দিন ঢুকেছিল বন্দুকবাজ।

১৯৪১ সালে পার্ল হারবার আক্রমণ করেছিল জাপানি সেনা। অতর্কিতে হামলা হওয়ায় তৈরি ছিল না মার্কিন সেনাবাহিনী। বেঘোরে প্রাণ হারায় ২৪০৩ জন আমেরিকান। আর তিনদিন পর ছিল এই ভয়ঙ্কর হামলার ৭৮ বছর। ঠিক তার তিনদিন আগেই পার্ল হারবারের নাভাল বেসে হামলা চালিয়েছে এই বন্দুকবাজ। দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Share.

Comments are closed.