সোমবার, অক্টোবর ২১

‘চুমু খাবে কী করে? আমার সঙ্গে প্র্যাকটিস করে নাও’, প্রস্তাব দিয়েছিলেন পরিচালক, বিস্ফোরক জারিন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাহসী দৃশ্য মানেই এখন বলিউডে হিট জারিন খান।  ‘হেট স্টোরি ৩’ ছবিতে জারিনের ‘বোল্ড লুক’ পছন্দ করেছেন দর্শকরা। পর্দায় খুল্লমখুল্লা হলেও, ব্যক্তিগত জীবনে জারিন কিন্তু রাখঢাক করেই চলেন। কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুলে জারিন এ বার তাঁর বিস্ফোরক অভিজ্ঞতার কথা বললেন।

‘‘চুমু খেতে হয় কী ভাবে? আমার সঙ্গে রিহার্সাল করে নাও!’’  কেরিয়ারের শুরুর দিকে জারিনকে নাকি ঠিক এ ভাবেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন ছবির পরিচালক। এই রিহার্সালের আড়ালে যে প্রছন্ন কু-ইঙ্গিত ছিল সেটা বেশ বুঝেছিলেন জারিন। তাঁর দাবি, ‘‘পরিচালকের মনোভাব বুঝতে দেরি হয়নি। তাঁর বক্তব্য ছিল চুমুর দৃশ্য একেবারে পারফেক্ট করতে নাকি আড়ষ্টতা কাটাতে হবে। সেই জন্য আমি যেন তাঁর সঙ্গেই আগে প্র্যাকটিস করে নিই।’’

পরিচালকের প্রস্তাব তুরন্ত ফিরিয়ে দিয়েছিলেন জারিন। কেরিয়ারের শুরুর দিক হলেও আপস করেননি তিনি। নায়িকার সাফ জবাব ছিল, ‘‘আমি আড়ষ্ট নই। কিসিং সিনে আমার রিহার্সালের দরকার নেই। কারোর সঙ্গে প্র্যাকটিস করতেও চাই না।’’

বলি মহলে কাস্টিং কাউচ নিয়ে অনেক নায়িকাও সরব। কখনও তনুশ্রী দত্ত, কখনও বিদ্যা বালন, স্বরা ভস্বার তালিকাটা লম্বা। শুধু কাস্টিং কাউচ নয়, বডি শেমিং-এর শিকারও হতে হয় নায়িকাদের। যার থেকে বাদ যাননি জারিনও। তাঁর ওজন, ‘স্ট্রেচ মার্ক’ নিয়ে সম্প্রতি মুচমুচে আলোচনা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ট্রোলড হয়েছেন নায়িকা। যদিও নেতিবাচক মন্তব্যে বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি জারিন। উল্টে অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বলেছেন, ‘‘যাঁরা আমার শরীরের স্ট্রেচ-মার্ক নিয়ে অধিক কৌতুহলী, তাঁদের জানিয়ে রাখি, ৫০ কিলোগ্রামের মতো ওজন কমালে শরীরে স্ট্রেচ-মার্ক থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। আমি আমার আসল চেহারাই দেখিয়েছি এবং নিজের চেহারা নিয়ে আমি গর্বিত।’’ এই স্ট্রেচ-মার্ক নিয়ে একসময় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল মালাইকা অরোরা খানকেও।

সলমন খান অভিনীত ‘বীর’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রেখেছিলেন জারিন। তাঁর জার্নি শুরু হয়েছিল ‘বীর’ ছবির ‘ক্যারাক্টার ঢিলা’ গানের মাধ্যমে। সেখানে সলমন খানের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছিলেন জারিন। এর পর ‘হেট স্টোরি ৩’ ছবিতে তাঁর সাহসী পারফরম্যান্স দর্শকদের মনে ধরেছিল। ‘হাউজফুল ২’, ‘আকসার ২’ ছবিতেও নজর কাড়েন তিনি। সম্প্রতি একটি পঞ্জাবি ছবির শ্যুটিং-এ ব্যস্ত জারিন।

Comments are closed.