বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮

‘অজানা জ্বর’-এ পুড়ছে টাকি, মৃত এক স্কুল পড়ুয়া, ভিড় বাড়ছে হাসপাতাল-স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জ্বরে কাবু টাকি।

এক সপ্তাহেরও বেশি হাসনাবাদ ও টাকির বিভিন্ন ব্লক হাসপাতালগুলিতে রোগীদের লম্বা লাইন। সিংহভাগের গা পুড়ে যাচ্ছে জ্বরে। ছবিটা একইরকম বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতেও। গত কয়েকদিনে টাকির নানা হাসপাতালের শুধু জ্বর নিয়েই মহিলা ও পুরুষ বিভাগে ভর্তি হয়েছেন শতাধিক। ভিড় বাড়ছে শিশু বিভাগগুলিতেও।

ইতিমধ্যেই জ্বরের প্রকোপে টাকির রোজিপুরে মৃত্যু হয়েছে এক স্কুল পড়ুয়ার। টাকির ভবনাথ হাইস্কুলের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রটির নাম রকি মণ্ডল (১৫)। তার পরিবার জানিয়েছে, দু’দিনের জ্বর নিয়ে শুক্রবার রাতে টাকি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল রকিকে। সেখানেই মৃত্যু হয় তার। চিকিৎসকদের দাবি, হাসপাতালে ভর্তির সময় জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছিল ছেলেটির। চিকিৎসা শুরুর আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তার। রকির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এলাকায়।

জ্বরের নির্দিষ্ট কারণ অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয় চিকিৎসকদের কাছে। এখনও পর্যন্ত চিকিৎসক ও এলাকাবাসীদের কাছে এটি ‘অজানা জ্বর।’ তবে, রোদ-বৃষ্টির খামখেয়ালিপনায় সর্দি-গর্মি থেকেই জ্বরের প্রকোপ বলে চিকিৎসকদের একাংশের মত। অনেকের দাবি, ভাইরাল ফিভার। তবে জ্বরে আক্রান্তদের মধ্যে কারও রক্তে ডেঙ্গির জীবানু মিলেছে কি না সেটা জানা যায়নি।

টাকি হাসপাতাল সূত্রে খবর, আউটডোরে প্রতি দিন গড়ে ৩০০-৫০০ রোগী আসছেন। আশি শতাংশেরই জ্বর। রোগীদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।ঋতু বদলের এই সময়ে জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ে। এই জ্বরে শিশুরাই বেশি কাহিল হয়ে পড়ে। গায়ে ব্যথা, মাথা ধরা, সর্দি— সব উপসর্গই থাকে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এক সপ্তাহে প্রায় হাজার দুয়েক মানুষ এসেছেন জ্বর নিয়ে। এই মুহূর্তে বেশ কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি।

Comments are closed.