সিপিএম যোগ ওড়ালেন অভিনেতা অরিত্র, তবে তৃণমূল-বিজেপি বিরোধিতা স্পষ্ট

সোদপুরের বাসিন্দা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি শিল্পী। কোনও দলের নন। সবাই তাঁর কাছে দর্শক হিসেবে সমান।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: অভিনেতা অরিত্র দত্ত বণিক কি সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের নেতা? গত দু’দিন ধরে ফেসবুকের বিভিন্ন বাম সমর্থকদের গ্রুপে ভাইরাল হয়ে যায় কিছু ছবি ও পোস্টের স্ক্রিনশট। একাধিক বাম কর্মীরা অভিনেতাকে এসএফআইয়ের নেতা বলে ‘লাল সেলাম’ জানাতে শুরু করেন। কিন্তু বুধবার রাতে ফেসবুকে পোস্ট করে তাঁর সিপিএম ও এসএফআই যোগের কথা উড়িয়ে দেন অরিত্র।

    সিপিএম ও এসএফআই যোগ অস্বীকার করে পোস্ট

    সোদপুরের বাসিন্দা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি শিল্পী। কোনও দলের নন। সবাই তাঁর কাছে দর্শক হিসেবে সমান। ফেসবুক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে সিপিএম ও এসএফআইয়ের নেতা বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। কিন্তু অভিনেতার জোড়া ফেসবুক প্রোফাইল দেখে অনেকেই বলছেন, তাঁর পোস্টে তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধিতা এতটাই তীব্র, যা দেখে অনেকে হয়তো তাঁকে সিপিএম ধরে নিয়েছিলেন।

    এসএফআইয়ের ব্যানারের সামনে অভিনেতা

    একটি ছবি অরিত্রর ফেসবুক প্রোফাইলে রয়েছে, যাতে দেখা যাচ্ছে এসএফআইয়ের একটি ব্যানারের সামনে মাইক হাতে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। আবার কভার ফটোতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে বসা ছবিও রয়েছে। এখানেই শেষ নয়। যে প্রোফাইল থেকে অরিত্র সিপিএম যোগ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন সেই প্রোফাইল থেকেই ২০১৯ সালের ২৯ জুন তৃণমূলের বিরুদ্ধে টিপ্পনি কেটে লেখা হয়েছিল, “দিদির কাটমানি ফেরতের ঘোষণার পর কেসি নাগের অঙ্ক বইয়ে নতুন চ্যাপ্টার যোগ হচ্ছে- শতকরা কাটমানি ও তার সুদের হিসেব।” অন্য একটি প্রোফাইল থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে বিদ্রুপ করে লেখা হয়েছে, “পাঁচ বছরে দু’কোটি চাকরি! বাহ ভক্ত বাহ!”

    মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অরিত্র

    এখন প্রশ্ন হল ফেসবুকে সেলেবদের নামে এমন অনেক ভুয়ো অ্যাকাউন্ট থাকে। কিন্তু মিঠুন চক্রবর্তীর অত্যন্ত আদরের অভিনেতা তেমন দাবি করেননি। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

    কাটমানি নিয়ে অরিত্রর পোস্ট

    পর্যবেক্ষকদের মতে, অরিত্র তৃণমূল ও বিজেপির বিরোধিতা করলেই যে সিপিএম হয়ে যাবেন এমন ভাবাটা বোকামি ছাড়া কিছু নয়। অরিত্র অস্বীকার করায় ফেসবুকে পোস্ট করা বাম কর্মীরাও বিপাকে পড়েছেন। অনেকে তাঁদের সমালোচনা করে লিখছেন, “সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করার ন্যূনতম শিক্ষাটুকুও নেই।”


    অন্য একটি প্রোফাইল থেকে বিজেপিকে টিপ্পনি কেটে পোস্ট

    সিরিয়াল, সিনেমা থেকে রিয়ালিটি শো-এর মঞ্চে মিঠুনের মতো অভিনেতার সঙ্গে সাবলীল অরিত্র হঠাৎ করেই সোশ্যাল মিডিয়ার রাজনৈতিক মঞ্চে। তৈরি হল বিতর্ক। এমনকি কৌতূহলও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More