সোমবার, অক্টোবর ২১

বিদ্যা যখন শকুন্তলা দেবী, ফার্স্ট লুকে নজর কাড়লেন বালন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মানব-কম্পিউটার। অঙ্কের জাদুকর নামেই তাঁকে ডাকা হত। গিনেস রেকর্ড জয়ী শকুন্তলা দেবীর বায়োপিকে এ বার অভিনয় করতে চলেছেন ‘মিশন মঙ্গল’ স্টার বিদ্যা বালন। বব কাট চুল, শাড়িতে শকুন্তলা দেবীর লুকে বিদ্যা অনবদ্য। ছবিতে তাঁর ফার্স্ট লুক সামনে আসতেই হইচই সিনেপ্রেমী মহলে। অনেকেরই মত, লেজেন্ড শকুন্তলা দেবীর চরিত্রে বিদ্যা একেবারেই মানানসই।

আনু মেনন পরিচালনায় ‘শকুন্তলা দেবী-হিউম্যান কম্পিউটার’ ছবির শ্যুটিং শুরু হয়ে গেছে। মুক্তি আগামী বছর। সোমবার নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে ছবির টিজার পোস্ট করে বিদ্যা লিখেছেন, ‘‘তিনি ছিলেন ব্যতিক্রমী, অসাধারণ। মানব-কম্পিউটার শকুন্তলা দেবীর গল্প জানুন।’’

মাত্র পাঁচ বছর বয়সেই তাসের ম্যাজিক রপ্ত করে ফেলছিলেন শকুন্তলা দেবী। অঙ্কের ধাঁধা, জ্যোতির্বিজ্ঞানে তাঁর ছিল অসামান্য দক্ষতা। স্মৃতিশক্তি ও গণন ক্ষমতার জন্য তাঁকে মানব-ক্যালকুলেটরও বলা হত। ১৯৮২ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম উঠেছিল শকুন্তলা দেবীর। বিদ্যার কথায়, “এই চরিত্রে অভিনয় করতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত। শকুন্তলা দেবী নারী-শক্তির প্রতীক। তিনি এক বিরল প্রতিভা। সাধারণ মানুষের সামনে তাঁর জীবন তুলে ধরা উচিত।”

আনিস বাজ়মি পরিচালিত ‘ভুল ভুলাইয়া টু’তে যোগ দিতে পারেন বিদ্যা। তার আগে শকুন্তলা দেবীর শ্যুটিং-এর জন্য এ মাসেই লন্ডনে যাচ্ছেন তিনি। বিদ্যা জানিয়েছেন, তিন-চার মাস লেগেছে শকুন্তলা দেবীর মতো আদব কায়দা রপ্ত করতে।

‘মিশন মঙ্গল’ ছবি ইতিমধ্যেই বক্স অফিসে হিট। বিদ্যার অসামান্য অভিনয় মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। প্রজেক্ট ডিরেক্টর তারা সিন্ধের চরিত্রে বিদ্যা বালান যেন সবাইকে ছাপিয়ে গিয়েছেন। তথাকথিত নায়িকাসুলভ ফিগার নেই। তা সত্ত্বেও শুধুমাত্র অভিনয় শৈলী দিয়ে দাপিয়ে গিয়েছেন পুরো ছবি। বক্স অফিসে এখনও অবধি প্রায় ২০০ কোটির ব্যবসা করে ফেলেছে ছবিটি।

Comments are closed.