উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন, শুক্রবার দিল্লি উড়িয়ে আনা হবে উন্নাওয়ের নির্যাতিতাকে: সুপ্রিম কোর্ট

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির এইমসে এয়ারলিফট করে নিয়ে যেতে আপত্তি তুলেছিল উন্নাওয়ের নির্যাতিতার পরিবার। সেই দাবি রেখে লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটিতেই তরুণীর চিকিৎসায় সায় দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। তবে বর্তমানে নির্যাতিতার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। ডাক্তাররা জানিয়েছেন নিউমোনিয়া ধরা পড়েছে তরুণীর। এমন অবস্থায় আরও উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার জন্য নির্যাতিতাকে দিল্লি উড়িয়ে আনারই সিদ্ধান্ত নিল সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ। আগামী শুক্রবার মধ্যে তাঁকে ভর্তি করা হতে পারে এইমসে।

    সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপক গুপ্ত ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসুর বেঞ্চ সোমবার শুনানির সময়ে আইনজীবী ভি গিরিকে প্রশ্ন করে, নির্যাতিতার শারীরিক অবস্থা এখন কেমন?  তাঁকে দিল্লিতে এয়ারলিফট করে নিয়ে আসা কতটা সম্ভব! নির্যাতিতা তরুণীর পরিবারের এই বিষয়ে মত রয়েছে কি না সেটাও জানতে চায় ওই দুই বিচারপতির বেঞ্চ।

    আইনজীবী গিরি জানান, লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি জানিয়েছে, নির্যাতিতা ও তাঁর আইনজীবী মহেন্দ্র সিংয়ের পরিস্থিতি সঙ্কটজনক। এখনও ভেন্টিলেশনেই রাখা হয়েছে তরুণীকে। গায়ে জ্বর রয়েছে। একটি অস্ত্রোপচারও করা হয় তাঁর। দিল্লির এইমসে স্থানান্তরিত করার ব্যাপের নির্যাতিতার পরিবারের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

    অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় মৃত স্ত্রীর শেষকৃত্য সারতে সম্প্রতি একদিনের প্যারোলে রায়বরেলী জেল থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন নির্যাতিতার কাকা মহেশ সিংহ। সবকিছু মিটে যেতে ফের জেলে ফিরে গিয়েছেন তিনি। অবিলম্বে তাঁকে দিল্লির তিহাড় জেলে সরিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

    ট্রাক-দুর্ঘটনার তদন্তে সাত দিনের মধ্যে শেষ করে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে চার্জশিট পেশ করার জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। গতকালই সিবিআইয়ের একটি দল সীতাপুর জেলা কারাগারে গিয়ে কয়েক ঘণ্টা জেরা করে উন্নাও ধর্ষণ কা্ডের মূল অভিযুক্ত বিধায়ক কুলদীপ সেনগারকে। তল্লাশি চালানো হয় তাঁর গ্রামের বাড়িতেও। গতকাল সীতাপুর জেলের বাইরে দাঁড়িয়ে ধর্ষিতা তরুণীর আরোগ্য কামনা করেছেন অভিযুক্ত বিধায়ক।

    এ দিকে, ট্রাক-কাণ্ডে আরও একটি নতুন তথ্য উঠে এসেছে। জানা গেছে, দুর্ঘটনার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত ঘাতক ট্রাকের নম্বর প্লেটে কালো রং করা ছিল না। তদন্তকারীদের অনুমান, ট্রাক মালিকের পরিচয় গোপন করতেই নম্বর প্লেট কালো রং-এ ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। যদিও ট্রাক মালিকের বক্তব্য অন্য রকম। তিনি জানিয়েছেন, কানপুরের একটি সংস্থার থেকে ঋণ নিয়ে তিনি ট্রাক কিনেছিলেন। তাঁকে মাসে মাসে ইএমআই দিতে হয়। তিনি কয়েক মাস ইএম আইয়ের টাকা দিতে পারেননি। যারা ঋণ দিয়েছিল, তারা যাতে ট্রাকটি আটক না করতে পারে, সে জন্য কালো রং দিয়ে নাম্বার প্লেট ঢেকে দিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন:

    ‘দ্রুত সেরে উঠুক মেয়েটি, প্রার্থনা করছি,’ উন্নাও ধর্ষিতার আরোগ্য কামনা করলেন ধর্ষণে অভিযুক্ত বিধায়ক

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More