বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮

নির্বাচনী প্রচারে খরচ ছাড়াল ৭০ লক্ষ টাকা, সানির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে নির্বাচন কমিশন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাবা বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ। চলতি বছরে সাংসদ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ছেলেও। অভিনেতা তথা বিজেপির নবনির্বাচিত সাংসদ সানি দেওলকেই এ বার নোটিস ধরিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গুরুদাসপুরের সাংসদরে বিরুদ্ধে অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারে তাঁর খরচের মাত্রা আকাশছোঁয়া।  যার সত্যতা প্রমাণিত হলে সাংসদ পদও খোয়াতে হতে পারে সানিকে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, নির্বাচনী খরচমাত্রার যে হিসাব জমা করা হয়েছে, তাতে দেখা গেছে নির্বাচনী প্রচারের জন্য সানি দেওলের মোট খরচ হয়েছে ৭৮,৫১,৫৯২ টাকা।  সাধারণত প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর জন্য নির্দিষ্ট নির্বাচনী খরচ বেধে দিয়েছে কমিশন। যার আওতায়, এক জন প্রার্থী ৭০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারেন। কিন্তু দেখা গেছে, সানি দেওল তাঁর নির্ধারিত খরচসীমার উর্ধ্বে চলে গেছেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত ৮.৫১ লক্ষ টাকা তিনি প্রচার ও নির্বাচন সংক্রান্ত অন্যান্য কাজে ব্যয় করেছেন।

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত সানি দেওল। বাবা ধর্মেন্দ্র এবং সৎ মা হেমা মালিনীকে অনুসরণ করে সম্প্রতি বিজেপির হাত ধরে রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেছেন সানি। লোকসভা নির্বাচনে পঞ্জাব কংগ্রেসের প্রধান সুনীল জাখরকে ৮০ হাজার ভোটে হারিয়ে গুরুদাসপুর থেকে জিতেছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচনী খরচ সংক্রান্ত নিয়মাবলী লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলেও, সুনীল জাখরের বিরুদ্ধে তেমন কোনও অভিযোগ নেই। বরং দেখা গেছে তাঁর নির্বাচনী প্রচারের খরচ ৬১ লক্ষ টাকার কাছাকাছি, অর্থাৎ যা সীমার মধ্যেই রয়েছে।

বিনোদ খন্নার মৃত্যুর পরে উপ-নির্বাচনে তাঁর স্ত্রী কবিতাকে প্রার্থী করেনি বিজেপি। অন্য এক জনকে প্রার্থী করে হেরে যায় তারা। এ বারে দল সেখানে সানি দেওলকে প্রার্থী করেছে।

Comments are closed.