খাবার নিয়ে ঝগড়াঝাটি, দুই ইঁদুরের হাতাহাতি জিতল সেরা ছবির পুরস্কার

দুই ইঁদুরের মারামারি। ন্যাশনাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের পুরস্কার জিতলেন ফোটোগ্রাফার স্যাম রাওলি।

দ্য ওয়াল ব্যুরো: খাবার নিয়ে দুই ইঁদুরের মারামারি। সে কী লড়াই! একজন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে তো অন্যজন বাধা দেয়। দু’হাত তুলে, চোখ রাঙিয়ে যেন মল্লযুদ্ধে মেতেছে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী।  কোনও কার্টুন বা অ্যানিমেশন ছবি নয়।  এমন ঘটনা ঘটেছে বাস্তবেই।  আর এমন চমকে দেওয়ার মতো ঘটনা ক্যামেরাবন্দি করে বিখ্যাত হয়ে গেছেন চিত্রগ্রাহক স্যাম রাওলি।

প্রকৃতি হোক বা বন্যপ্রাণী, প্রতি বছরই দুর্লভ ও ব্যতিক্রমী ছবির জন্য পুরস্কার দেয় ন্যাশনাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম। সেরা ফোটোগ্রাফারকে দেওয়া হয় ‘লুমিক্স পিপল’স চয়েস অ্যাওয়ার্ড।’ এবছর সেরা ছবির তালিকায় উঠে এসেছে এই দুই ইঁদুরের খাবার নিয়ে ঝগড়াঝাটি। তার জন্য পুরস্কারও ঝুলিতে পুড়ে ফেলেছেন ফোটোগ্রাফার স্যাম রাওলি।

লন্ডনের আন্ডারগ্রাউন্ড টিউব চ্যানেলে খাবার নিয়ে বিষম ঝগড়ায় মেতেছে দুই ইঁদুর। এই ছবির নাম ‘মাউস ভার্সেস মাউস।’ ফোটোগ্রাফার স্যাম রাওলি জানিয়েছেন, ফাঁকা টিউব চ্যানেলে রাতের বেলায় এমন অনেক ঘটনা ঘটে। সপ্তাহখানেক ধরে অন্ধকার টানেলে ঘাপটি মেরে থেকে এমন চমকদার ঘটনার সাক্ষ্মী হয়েছেন তিনি। লেন্সও ঝলসে উঠেছে মুহূর্তের মধ্যেই।

স্যাম বলেছেন, যে ইঁদুর খাবারটি শেষমেশ ছিনিয়ে নেয়, সেই বিজয়ী হয়েছে। অন্যজন হতাশ হয়ে ফিরে গেছে নিজের ডেরায়। এই হারজিতের পরের ঘটনা অবশ্য লেন্সবন্দি করেননি ফোটোগ্রাফার।

ন্যাশনাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের তরফে জানানো হয়েছে, ৪০ হাজার ছবির মধ্যে থেকে এই ছবিটি বেছে নিয়েছেন বিচারকরা। আরও অনেক ছবিই অবশ্য পুরস্কার পেয়েছে। তবে এই ছবিটিকে ঘিরে নেটিজেনদের আগ্রহও কিছু কম নয়। অনেকেই এর সঙ্গে তুলনা টেনেছেন অ্যানিমেশন ছবি ‘র‍্যাটাটওলি’র। কেউ বলেছেন, ‘‘ইঁদুরদের যেমন দেখি এরা অনেক আলাদা। এমন লড়াইয়ের ছবি মন ভরিয়ে দিয়েছে।’’ আবার কোনও নেটিজেনের সরস মন্তব্য, ‘‘লড়াই কোথায়, এরা তো নাচছে! দু’জনে মিলে আর্জেন্টিনিয়ান ট্যাঙ্গো নেচে চলেছে।’’

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.