শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৪

বিজেপি-র রথযাত্রা তো আটকে দিল আদালত, কিন্তু তৃণমূলের যাত্রার ভবিষ্যৎ কী?

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ দিন আগে নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের বর্ধিত পরিষদের বৈঠকে দিদি বলেছিলেন, বিজেপি-র রথযাত্রার দিকে ফিরেও তাকাবেন না। ওঁরা রথযাত্রা করলে পরদিন ওই পথ ধরেই পবিত্রযাত্রা করুন।

কিন্তু হাইকোর্টের রায়ের পর বিজেপি-র রথযাত্রাই যখন অনিশ্চিত, তখন তৃণমূলের যাত্রার ভবিষ্যৎ কী? কারণ, দিলীপ ঘোষদের রথযাত্রা না হলে ওই পথ ‘পবিত্র’ করতে আর কোনও যাত্রার প্রয়োজন রয়েছে কি?

বৃহস্পতিবার বিকেলে হাইকোর্টের রায় প্রকাশের পর সন্ধ্যে পর্যন্ত এ ব্যাপারে তৃণমূলের তরফে স্পষ্ট কোনও ঘোষণা হয়নি। তবে দলের শীর্ষ সূত্রে বলা হচ্ছে, প্রতিটি জেলা নেতৃত্বকে বলা হয়েছিল, বিজেপি-র রথযাত্রার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে পবিত্র যাত্রা করুন। কিন্তু ওদের রথযাত্রাই যদি না হয় তা হলে পবিত্র যাত্রা করারও প্রয়োজন হবে না। এ ব্যাপারেও জেলার নেতাদের আগাম ইঙ্গিত দেওয়াই রয়েছে।

প্রসঙ্গত, বিজেপি যেমন ধুমধাম করে রথযাত্রার প্রস্তুতি শুরু করেছিল, তেমনই দিদির নির্দেশের পর তৃণমূলের মধ্যেও পবিত্রযাত্রা করার ধুম পড়ে গিয়েছিল। পবিত্রযাত্রার স্বরূপ কী হবে তা নিয়ে উত্তর চব্বিশ পরগণা, নদীয়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগণাতে ব্লকের নেতাদের জেলাস্তর থেকে স্পষ্ট নির্দেশও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই মোতাবেক ব্যানার, পোস্টার ছাপানোর কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে অনেক জায়গায়।

তবে তৃণমূলের এক রাজ্য নেতা বলেন, পুলিশ ও প্রশাসনের রিপোর্টের ভিত্তিতেই বিজেপি-র রথযাত্রায় অনুমতি দেয়নি হাইকোর্ট। এখন যদি তৃণমূল এমনিতেই পবিত্রযাত্রা শুরু করে দেয়, তা হলে সেটা নিয়ে ফের আদালতে যেতে পারে বিজেপি। নতুন করে রথযাত্রার অনুমতি চাইতে পারে কোর্টের কাছে। তাই আর কোনও যাত্রা না করাই শাসক দলের তরফে বুদ্ধির কাজ হবে। বরং এই সুযোগে জানুয়ারি মাসে প্রস্তাবিত ব্রিগেড সমাবেশের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিতে পারবেন জেলার নেতারা। এ ব্যাপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও হয়তো আজ কালের মধ্যে স্পষ্ট নির্দেশ জানিয়ে দেবেন।

Shares

Comments are closed.