বাংলার বেকারত্বের হার দেশের তুলনায় অনেক কম, তথ্য তুলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর, হরিয়ানা-উত্তরপ্রদেশের নিয়ে খোঁচা বিজেপিকে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনামির পরিসংখ্যান তুলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করলেন, সারা দেশে বেকারত্বের যা হার তার তুলনায় বাংলার অবস্থা অনেক ভাল জায়গায় রয়ছে।

    সম্প্রতি জুন মাসে কোন রাজ্যে কত বেকারত্ব তার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনামি তথা সিএমআইই। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী টুইট করে লেখেন, “সিএমআইই-র রিপোর্ট অনুযায়ী জুন মাসে বাংলায় বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ। আর সারা দেশের গড় ১১ শতাংশ। সারা দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গ অনেক ভাল জায়গায় রয়েছে।”

    শুধু তাই নয়। আরও দুটি রাজ্যের পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেগুলি হল, উত্তরপ্রদেশ এবং হরিয়ানা। সিএমআইই-র রিপোর্ট অনুযায়ী জুন মাসে যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশে বেকারত্বের হার ৯.৬ শতাংশ এবং হরিয়ানায় আরও ভয়াবহ অবস্থা। মনোহরলাল খট্টরের রাজ্যে জুন মাসে বেকারত্ব ৩৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০ জনের মধ্যে ৩৩ জনের বেশি মানুষের হাতে কোনও কাজ নেই। দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেকারত্ব এই রাজ্যেই।

    পর্যবেক্ষকদের মতে, উত্তরপ্রদেশ এবং হরিয়ানার কথা উল্লেখ করে আসলে রাজনৈতিক ভাবে বিজেপিকে খোঁচা দিতে চেয়েছেন মমতা। আরও তাৎপর্যপূর্ণ হল, উত্তরপ্রদেশের থেকে পাঞ্জাব, ছত্তীসগড় ও রাজস্থানে বেকারত্বের হার অনেক বেশি। এই তিন রাজ্যই কংগ্রেস শাসিত। কিন্তু বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তার কোনও উল্লেখ করেননি। এমনকি সিপিএম নেতৃত্বাধীন কেরলে বেকারত্বের হার ২০ শতাংশের বেশি। সেকথাও উল্লেখ করেননি মমতা। পর্যবেক্ষকদের মতে, সর্বভারতীয় রাজনীতিতে বিজেপি বিরোধী শিবিরে বার্তা দিতেই হয়ত এই কৌশল নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ফলে তৈরি হওয়া সংকট এবং তার উপরে আছড়ে পড়া ঘূর্ণিঝড় উমফান—এই দুইয়ের মোকাবিলায় রাজ্য সরকার যে বলিষ্ঠ অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে এটা তারই ফল।

    যদিও বিজেপি বলছে আষাঢ়ে গল্প বলছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য বিজেপির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী চপ ভাজা, মুড়ি ভাজাকেও শিল্পের পর্যায়ে ধরেন। সেই হিসেব দিয়েই গোঁজামিল দিতে চাইছেন। বাংলার মানুষ জানেন রাজ্যে কর্মসংস্থানের কী হাল।” তিনি আরও বলেন, “এই কোভিড পরিস্থিতি তৈরি না হলে লোকে জানতই না যে, বাংলার ১৫ লক্ষ মানুষ নিজের রাজ্যে কাজের সুযোগ না পেয়ে বাইরের রাজ্যে কাজ করতে গিয়েছেন।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More