ঝাড়গ্রামে হুল দিবসে রাজ্যের দুই মন্ত্রী, পতাকা তুললেন পার্থ, জঙ্গলমহলের পাশে থাকার আশ্বাস শুভেন্দুর

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, ঝাড়গ্রাম: অনাড়ম্বর হলেও ঝাড়গ্রামে হুল দিবসের দুটি পৃথক অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মূল অনুষ্ঠান হয় ঝাড়গ্রাম জেলাশাসকের অফিসের সিধু-কানু হলে।

    ঝাড়গ্রামে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং লালগড়ের রামগড়ে আদিবাসী সমাজের ডাকে হুল দিবস পালন করেন শুভেন্দু অধিকারী ।

    ঝাড়গ্রাম ব্লকের রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের কেচন্দায় স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে সাধারণ ভাবেই হুল দিবস পালিত হয়। কেচন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে হুল দিবসের পতাকা উত্তোলন করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি শহিদ সিধু ও কানুর ছবিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এদিন প্রথমে শিক্ষামন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের নিয়ে দলীয় বৈঠক করেন ঝাড়গ্রাম রেঞ্জ অফিসের অকশন হলে। তারপরে তিনি হুল দিবসের সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ঝাড়গ্রামের জেলাশাসকের অফিসে সিধু কানু হলে বক্তৃতা করেন।

    প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার যে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা তাও জেলাশাসকের অফিসের ওই হলেই হবে। কারণ করোনা মহামারীর সময়ে কেচন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে হুল দিবস পালন করার ব্যাপারে সোমবার প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। তাই অন্য বছরের মতো এবার কেচন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে হুল দিবস কর্মসূচি ঠিক করা হলেও মূল অনুষ্ঠান হবে সিধু কানু হলে।

    এদিন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা তাঁদের ভুলছি না। তাঁদের সংগ্রাম আজও বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।”

    লালগড় ব্লকের রামগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের খাসজঙ্গল এলাকায় আদিবাসী সম্প্রদায়ের ডাকে হুল দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাজ্যের পরিবেশ ও পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি খাসজঙ্গল এলাকায় সিধু কানু মোড়ে দুই বীর শহিদের যে মূর্তি রয়েছে তাতে মালা দেন। পরে তিনি ওই এলাকার আদিবাসী গানবাজনার সঙ্গে যুক্ত দশটি গোষ্ঠীর হাতে ধামসা-মাদল তুলে দেন। আদিবাসী সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সংবর্ধনা জানান।

    তিনি বলেন, “বিগত দিনে যখন অশান্তি ছিল তখন অনেকেই ঘরছাড়া হয়েছিলেন, আহত হয়েছিলেন। আমরা সনাতন হেমব্রমের দেহ তুলেছিলাম রামগড় থেকে। সেসব আজ অতীত হয়ে গেছে। প্রতি বছর আমি নেতাই গ্রামে আসি। এক সময় আমি নেতাই থেকে রামগড় পর্যন্ত শান্তির মিছিল করেছি। এটা ইতিহাস। সকলের সুস্থ জীবন এবং মিলেমিশে থাকা কামনা করি।” তিনি জঙ্গলমহলের মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More