বীজপুরে গভীর রাতে বোমা, বিজেপির একাধিক পার্টি অফিসে ভাঙচুর, বালিতোড়ে সংঘর্ষের ঘটনায় ধৃত দুই বিজেপি কর্মী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজেপি ও তৃণমূলের রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটি ও হালিশহরে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা বিজেপির পেশ কয়েকটি পার্টি অফিসে ভাঙচুর করেছে। বোমাবাজিও করেছে। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ দুই বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গেছে।

ঘটনার সূত্রপাত রবিবার দুপুরে। বীজপুরে কর্মিসভা করতে যান ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর অভিযোগ, ফেরার সময় বালিতোড়ে ওঁর গাড়ির উপরে হামলা করে তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পুলিশ লাঠি চার্জ করেছে এমনকি তাঁকেও পুলিশ মেরেছে।

অর্জুন সিংয়ের গাড়ি ভাঙার জেরে সকাল থেকে দফায় দফায় দফায় অবরোধ হয় ব্যারাকপুর এলাকাজুড়ে। আগে দু’দলের মধ্যে যে সংঘর্ষ হয়েছে তাতে অন্তত কুড়ি জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় সোমবার পুলিশ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতরা বিজেপি কর্মী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

বিজেপির নৈহাটি গ্রামীণ মণ্ডলের সম্পাদক বিজয় মণ্ডল বলেন, “সাংসদের গাড়ির উপরে হামলার পরে আমাদের কর্মীদের বাইক ভাঙচুর করা হয়।  তারপরে গতকাল রাত সাড়ে বারোটার সময় তৃণমূল আশ্রিত জনা পনেরো গুণ্ডা বোমা ফাটায়।  আমাদের পার্টি অফিসের দরজা ভেঙে দেয়।  আমাদের সমস্ত চেয়ার ও টেবিল ভেঙে দেয়।” তৃণমূল কর্মীরা তাঁদের দলের কর্মীদের মারধর করে আটকানোর চেষ্টা করছে বলেও সোমবার তিনি অভিযোগ করেন।

বিজেপির নৈহাটি গ্রামীণ মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক রঞ্জিত মণ্ডল বলেন, “রাত একটা নাগাদ কয়েক জন কুখ্যাত গুণ্ডা নৈহাটি এক নম্বর মণ্ডলে আমাদের পার্টি অফিসে চড়াও হয় এবং আমাদের পার্টি অফিসের সব আসবাবপত্র ভেঙে ফেলে। আমাদের ছেলেদের মারধর করে। বালিতোড়েও একটি পার্টি অফিস ভেঙে দেয়। আমরা এ ব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ জানাব। আমরা ঘটনার কথা সাংসদকে জানিয়েছি।”

নৈহাটির তৃণমূল নেতা সুবোধ অধিকারী পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, “সিআরপিএফকে সঙ্গে নিয়ে আমার গাড়িতে হামলা করে অর্জুন সিংয়ের গুণ্ডাবাহিনী। তারা সাধারণ মানুষকে মারধর করছিল। সাধারণ মানুষ প্রতিরোধ করেছে। সিআরপিএফ বাচ্চাদের পর্যন্ত মেরেছে। এলাকা দখল করার জন্য বোমা, গুলি প্রভৃতি নিয়ে এসে ওরা আমাদের পার্টি অফিস জ্বালিয়ে দিয়েছে। আমাদের চার জন কর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।” তিনি মনে করছেন জনরোষে সাংসদের গাড়ি ভাঙা হয়েছে অথবা সিআরপিএফ গাড়ি ভেঙে তৃণমূলের উপরে দোষ চাপাচ্ছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More