আসানসোল জেলা হাসপাতালে প্রাথমিক করোনা পরীক্ষার যন্ত্র, এক ঘণ্টায় জানা যাবে দু’জনের নমুনা পরীক্ষার ফল

এক ঘণ্টায় দু’জন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা যাবে। কারও রিপোর্ট পজিটিভ এলে তখন তা ফের পরীক্ষার জন্য কলকাতায় পাঠাতে হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা পরীক্ষার জন্য ট্রুন্যাট যন্ত্র বসল আসানসোল জেলা হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার থেকেই এখানে নমুনা পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

    পশ্চিম বর্ধমান জেলায় করোনা সন্দেহে বহু রোগীকে জেলা হাসপাতাল, বিভিন্ন হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ও কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রে ভর্তি করা হচ্ছে। ভর্তি করার পরে তাঁদের লালারস বা সোয়াব পরীক্ষার জন্য কলকাতায় নমুনা পাঠাতে হচ্ছিল। কলকাতা থেকে সেই রিপোর্ট পেতে পাঁচ থেকে ছ’দিন লেগে যায়। ফলে আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলিতে ভিড় বাড়ছিল। পাশাপাশি কেউ আক্রান্ত হলে চিকিৎসা শুরু হতেও দেরি হয়ে যাচ্ছিল।

    শুধু তাই নয়, পশ্চিম বর্ধমান জেলায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ সংক্রান্ত প্রাথমিক পরীক্ষার কোনও ব্যবস্থা এত দিন না থাকার ফলে রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত ‘নেগেটিভ’ রোগীদের থাকতে হচ্ছিল ‘পজিটিভ’ রোগীদের সঙ্গে। তাতে সংক্রমিতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা ছিল। তাই রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশে আসানসোল জেলা হাসপাতালে প্রাথমিক স্তরে করোনো পরীক্ষার যন্ত্র বসানো হয়েছে।

    ট্রুন্যাট নামক এই যন্ত্রের ব্যাপারে জেলা হাসপাতালের প্যাথোলজিক্যাল বিভাগের চিকিৎসক রূপক চট্টোপাধ্যায় বলেন, “কোনও রোগী কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত কিনা জানতে এখন আর কলকাতা থেকে রিপোর্ট পাওয়ার জন্য চার-পাঁচদিন অপেক্ষা করতে হবে না। ট্রুন্যাটের মাধ্যমে আমরা জানতে পারব রোগী করোনায় আক্রান্ত কি না। এক ঘণ্টায় দু’জন রোগীর সোয়াব পরীক্ষা করা যাবে। কারও রিপোর্ট পজিটিভ এলে তখন সেই নমুনা পরীক্ষার জন্য কলকাতায় পাঠাতে হবে। নেগেটিভ রেজাল্ট এলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে। এই যন্ত্র বসানোর ফলে জেলার মানুষের সুবিধা হবে। তাঁরা ভর্তি হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে জেনে যাবেন আক্রান্ত হয়েছেন কিনা।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More