লকডাউনে সকাল থেকে ট্রেন ঢুকছে হাওড়ায়, রাস্তায় নেই যানবাহন, চূড়ান্ত দুর্ভোগ যাত্রীদের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হাওড়া: সারা রাজ্যে কড়া লকডাউন চলছে আজ, বৃহস্পতিবার। তার মধ্যেই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাওড়ায় ঢুকল বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেন। কিন্তু বাড়ি ফেরার জন্য পর্যাপ্ত যানবাহন না মেলায় চূড়ান্ত দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হল ভিন রাজ্য থেকে ফেরা যাত্রীদের।

সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ হাওড়া স্টেশনের আট নম্বর প্ল্যাটফর্মে ঢোকে নয়াদিল্লি-হাওড়া এসি স্পেশাল ট্রেন। সেই ট্রেনের যাত্রীদের জন্য রাজ্য সরকারের তরফে বেশ কিছু বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছিল ঠিকই। কিন্তু যাত্রী সংখ্যার তুলনায় তা ছিল অপ্রতুল। মুর্শিদাবাদ, নদিয়া-সহ দূরের জেলাগুলির কয়েকশ মানুষকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয় গাড়ির জন্য। বেলা একটা নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

এর কিছুক্ষণ পর আবার কয়েকটি ট্রেন ঢোকে হাওড়ায়। তার ফলে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলার ছবি ধরা পড়ে হাওড়া স্টেশনের বাইরে। দাঁড়িয়ে থাকা বাসে ওঠার জন্য ট্রেন থেকে নামা যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। দেখা যায় বাসের সিট পেতে জানলা দিয়ে গলে বাসে উঠছেন লোকজন। সামাজিক দূরত্বের বিধি কার্যত শিকেয় ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের।

হাওড়া স্টেশনের বাইরে ট্যাক্সিরও দেখা নেই। ওলা-উবেরও পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ যাত্রীদের। কড়া লকডাউনের জন্য রুটের বাসও রাস্তায় নামেনি। কলকাতা ও লাগোয়া জেলার অনেক যাত্রীর বাড়ির লোক গাড়ি বা মোটর সাইকেল নিয়ে হাওড়ার স্টেশনের বাইরে পৌঁছেছিলেন ঠিকই। কিন্তু দূরের জেলাগুলির যাত্রীদের চূড়ান্ত দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়।

দিল্লি-হাওড়া এসি স্পেশাল থেকে নামা এক মহিলাযাত্রী বলেন, “রাজ্য সরকার আর রেলের সমন্বয় নেই বলেই আজকে আমাদের এই দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হল। সঙ্গে বাচ্চা রয়েছে, বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছেন, তাঁদের নিয়ে দু’ঘণ্টা ধরে ফুটপাথে দাঁড়িয়ে রয়েছি। কখন গাড়ি পাব জানি না।” দু’একটি ট্যাক্সি যাও ছিল সেগুলির চালকরাও আকাশছোঁয়া ভাড়া চাইছেন বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে লকডাউনে দুর্গতির অন্ত নেই ট্রেন থেকে নামা যাত্রীদের।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More