ভোররাতে পুরুলিয়ায় ঢুকল ট্রেন, বেঙ্গালুরু থেকে রাজ্যে ফিরলেন প্রায় দেড় হাজার শ্রমিক

পুরুলিয়া (৪৭২), আলিপুরদুয়ার (১), বাঁকুড়া (১২২), বীরভূম (৩৫), কোচবিহার (২০), দার্জিলিং (২), হুগলি (২), হাওড়া (২০), জলপাইগুড়ি (৯), কলকাতা (৫৪), মালদা (১৯৫), মুর্শিদাবাদ (৮০), নদিয়া (২৩৬), উত্তর ২৪ পরগনা (১৭), উত্তর দিনাজপুর (৬০), পশ্চিম মেদিনীপুর (১২), পূর্ব বর্ধমান (৯), পূর্ব মেদিনীপুর (৭), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৩) ও দক্ষিণ দিনাজপুরের (১৫) শ্রমিকরা রাজ্যে ফিরলেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেউ একা আবার কেউ বা পরিবার নিয়ে কাজের সন্ধানে গেছিলেন ব্যাঙ্গালোর। আটকে পড়েছিলেন লকডাউনের ফলে। বেশ কয়েক দিন ধরে টানাপোড়েনের পরে তাঁরা ফিরলেন রাজ্যে। ভোররাত তিনটে নাগাদ শ্রমিকদের নিয়ে ট্রেন পৌঁছয় পুরুলিয়ায়। সারা রাজ্যের মোট ১৪১৬ জন শ্রমিক ওই ট্রেনে ছিলেন।

এদিন কড়া সুরক্ষার মধ্যে তাঁদের ট্রেন থেকে নামানো হয়। তারপরে প্রত্যেক যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি থার্মাল স্ক্রিনিং করা হয়। তারপরে তাঁদের নিজেদের জেলার জন্য বরাদ্দ বাসে তুলে দেওয়া হয়। এত দিন পরে ফিরতে পেরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের লোকজন।

এদিন গোটা পুরুলিয়া স্টেশনে কড়া সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শ্রমিকরা এক এক করে ট্রেন থেকে নামেন। তারপরে স্টেশন থেকে বেরিয়ে একে একে বাসে ওঠেন। ফিরে আসা শ্রমিকদের মধ্যে পুরুলিয়ার ৪৭২ জন শ্রমিক আছেন। পঞ্চাশটি বাসে তাঁদের নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হয়। শ্রমিকরা জানিয়েছেন লকডাউন মিটে গেলে আবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তাঁরা ফের কাজে যোগ দিতে যাবেন ভিনরাজ্যে।

ট্রেন থেকে নেমে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরে তাঁদের হাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় খাবারের প্যাকেট ও পানীয় জল। পুরুলিয়া স্টেশনে এদিন উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি এবং জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা আগে প্রত্যেকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করব তারপরে কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করব।”

এদিন যাঁরা রাজ্যে ফিরেছেন তাঁদের মধ্যে পুরুলিয়া ছাড়াও রয়েছেন আলিপুরদুয়ার (১), বাঁকুড়া (১২২), বীরভূম (৩৫), কোচবিহার (২০), দার্জিলিং (২), হুগলি (২), হাওড়া (২০), জলপাইগুড়ি (৯), কলকাতা (৫৪), মালদা (১৯৫), মুর্শিদাবাদ (৮০), নদিয়া (২৩৬), উত্তর ২৪ পরগনা (১৭), উত্তর দিনাজপুর (৬০), পশ্চিম মেদিনীপুর (১২), পূর্ব বর্ধমান (৯), পূর্ব মেদিনীপুর (৭), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৩) ও দক্ষিণ দিনাজপুরের (১৫) বাসিন্দা। ৪৫ জন শ্রমিকের গন্তব্য জানা যায়নি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More