সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬

বিধানসভায় শাড়ি বিভ্রাট, মনখারাপ করে ফিরলেন তৃণমূলের সাবিনা-মিতালি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এসেছে আটটা শাড়ি। করে দেওয়া হয়েছে তালিকা। কিন্তু সেই তালিকায় নাম না থাকায় পুজোর আগে মনখারাপ তৃণমূলের দুই মহিলা বিধায়কের। একজন হতাশ। অন্যজন বললেন দলকে জানাবেন। একজন কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া সাবিনা ইয়াসমিন। অন্যজন ধূপগুড়ির তৃণমূল বিধায়ক মিতালি রায়।

ব্যাপারটা কী?

নদিয়ার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক গৌরীশঙ্কর দত্ত খাদি বোর্ডের চেয়ারম্যান। তিনিই আটটি ফাইন কোয়ালিটির খাদির শাড়ি পাঠিয়েছেন বিধানসভায় তৃণমূলের মুখ্যসচেতক তথা পাণিহাটির তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের দফতরে। গৌরীবাবুই তালিকা করে দিয়েছেন, ওই আটটি শাড়ি কাকে কাকে দিতে হবে। জানা গিয়েছে, ওই তালিকায় নাম আছে শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের মতো সরকার ও দলের প্রথম সারির মহিলা নেতৃত্বের।

নির্মলাবাবুর দফতরে শাড়ির খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সেখানে যান সাবিনা এবং মিতালি। চেয়ে বসেন শাড়ি। কিন্তু নির্মল ঘোষের দফতর বিনয়ের সঙ্গে জানিয়ে দেয়, আটটা শাড়ি, আটটা নাম। তাদের কিচ্ছু করার নেই।

ধূপগুড়ির বিধায়ক মিতালি রায়কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “আমি গোটা ব্যাপারটায় হতাশ। সবাই বিধায়ক। কয়েকজন পাবেন, আর বাকিরা পাবেন না, এটা কি ঠিক!” সাবিনা জানিয়েছেন, “দলের পক্ষ থেকে উপহার পেতে কার না ভাল লাগে। কিন্তু এরকম বাছবিচার করাটা ঠিক না। আমি দলকে জানাব।”

ফাঁপড়ে পড়েছেন নির্মল ঘোষের দফতরের কর্মীরা। তাঁদের হাত বাঁধা। অথচ তাঁদের কাছেই চাওয়া হচ্ছে শাড়ি। নিজেদের মধ্যেই তাঁরা বলাবলি করছেন, আজ দু’জন এসেছেন। কাল যদি আরও কেউ আসেন! তখন!

Comments are closed.