রবিবার, অক্টোবর ২০

মলয়ের বক্তৃতায় ‘মন নেই’ মুনমুনের, সভা মঞ্চেই বাঁদরছানাকে আদর সুচিত্রা-কন্যার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঞ্চে তখন নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে সমালোচনা করে তেড়ে বক্তৃতা করছেন রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক। কিন্তু আসানসোলের তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেন তখন ব্যস্ত অন্য কাজে। বাঁদরছানাকে আদর করতে দেখা গেল গতবারের বাঁকুড়ার সাংসদকে।

শনিবার অন্ডালের দক্ষিণখণ্ড ধর্মরাজ তলায় তৃণমূলের সভা ছিল। জমায়েতও ছিল ঠাসা। কিন্তু সেই সভাতে মলয়ের বক্তৃতায় মন ছিল না স্বয়ং প্রার্থীরই। এক তৃণমূল কর্মী কোলে একটি বাঁদর ছানা নিয়ে যাওয়ায় তাঁকে মঞ্চে ডেকে নেন মুনমুন। জনতাও মলয়ের বক্তৃতা থেকে মন দিয়ে দেন মুনমুনের পশুপ্রেমে। মাইকের আওয়াজ, মুনমুনের আদর আর জনতার চিৎকারে তখন কচি বাঁদরটাও থতমত।

চোদ্দর ভোটে আসানসোল দখল করেছিল বিজেপি। সাংসদ হয়েছিলেন গায়ক বাবুল সুপ্রিয়। এ বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুনমুনকে বাঁকুড়া থেকে এনে আসানসোলে দাঁড় করিয়েছেন। অনেকের মতে, নায়িকা দিয়েই গায়ক বধের কৌশল নিয়েছে তৃণমূল।

রায়দিঘির তৃণমূল বিধায়ক তথা অভিনেত্রী দেবশ্রী রায়ের পশুপ্রেমের কথা অনেকেই জানেন। এ বার ভোটে যাদবপুর কেন্দ্রে টিকিট পাওয়া মিমি চক্রবর্তীও আদ্যপান্ত পশুপ্রেমী। এ বার সেই তালিকায় না উঠে গেল মুনমুন সেনের।

যদিও মুনমুনের এমন কাণ্ড দেখে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিরোধীরা। এক সিপিএম নেতার কথায়, “এক জন মানুষের সঙ্গে হাত মেলান দস্তানা পরে, আর অন্য জন বাঁদরকে আদর করেন খালি হাতেই।” আসানসোলের এক বিজেপি নেতা বলেন, “আসলে মুন মুনদেবী বুঝতে পেরেছেন আসানসোলে দিদি এসেও তাঁর মুশকিল আসান করতে পারবেন না। তাই এখন বাঁদরের সঙ্গে খুনসুটি করছেন।”

Comments are closed.