রবিবার, অক্টোবর ২০

তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে নানুর, রক্ত ঝরল পুলিশের

দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম: ভোটের দিনই রণক্ষেত্র চেহারা নিয়েছিল বীরভূমের নানুর। ভোটের পরেও রাজনৈতিক হিংসা অব্যহত রইল সেখানে। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে নানুনের বন্দর গ্রাম। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হল পুলিশকে।

মঙ্গলবার রাতে এক বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার সকালে তাদের কর্মীকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে পথ অবরোধ শুরু করে বিজেপি। পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলেই খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। গোটা গ্রাম নেমে আসে রাস্তায়। বিজেপি কর্মীদের ছোড়া পাথরের আঘাতে মাথা ফেটেছে এক পুলিশ কর্মীর। আহত আরও বেশ কয়েকজন।

এরপরই ওই এলাকায় পাল্টা জমায়েত শুরু করে তৃণমূল। বিজেপি-র অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ পথ অবরোধ তুলতে তৃণমূল ব্যাপক বোমাবাজি করে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় যায় যে, পুলিশকে কিছুক্ষণের জন্য ঘটনাস্থল ছাড়তে হয়। পরে আরও বাহিনী নিয়ে বন্দর গ্রামে যায় পুলিশ। বুধবার দুপুর পর্যন্ত খবর, ব্যাপক বোমাবাজি চলছে। বিজেপি-র অভিযোগ, তৃণমূলের বাহিনী ঢুকে গ্রামে গ্রামে বোমাবাজি চালাচ্ছে। কেউ বেরোতে পারছে না। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

ভোটে খারাপ ফলাফলের পরই বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল কাজল শেখকে ডেকে কথা বলেন। দীর্ঘদিন জেলার রাজনীতিতে কাজল ছিলেন অনুব্রতর বিরোধী শিবিরের। কিন্তু এ বার ভোটের পরই কাজলকে ডেকে নেন কেষ্ট। বিজেপি-র অভিযোগ, হঠাৎ সক্রিয় কাজলের নেতৃত্বেই সারা রাত বোমাবাজি করেছে তৃণমূল। উলটে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বিজেপি কর্মীকে।

ভোট পরবর্তী হিংসা সারা রাজ্যেই যেন প্রতিদিন সংক্রামিত হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ১২ জন নিহত হয়েছেন। বীরভূমও তা থেকে বাদ গেল না।

Comments are closed.