ছাত্রদের চুলে লাল-নীল-বেগুনি রঙের বাহার, কাঁচি চালালেন মাস্টারমশাই

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: শুরু হয়েছিল মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা দিয়ে। মাঝে বীরভূম হয়ে এবার তা হুগলিতে এসে পড়ল। ছাত্রদের চুলে রঙের বাহার। অনেক বলেও লাভ না হওয়ায় মাস্টারমশাই হাতে তুলে নিলেন কাঁচি। কেটে দিলেন ছাত্রদের লাল-নীল-সবুজ-বেগুনি চুল।

    বুধবার একাধিক ছাত্রের চুল কেটে দিলেন হুগলির পাণ্ডুয়ার ক্ষীরকুণ্ডি স্কুলের ভূগোলে শিক্ষক অলোক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, পুজোর পর থেকেই স্কুলে দেখা যায় ছাত্রদের চুলে রঙের বাহার। কারও লাল তো কারও সবজে, কারও চুলে হলুদের আভা তো কারও বেগুনি। বারবার বলেও কাজ না হওয়ায় এদিন নিজে হাতে একাধিক পড়ুয়ার চুল কেটে দেন অলোকবাবু।

    ওই শিক্ষক বলেন, “এই সব ছেলেরা পড়াশোনার নামে নেই। শুধু স্টাইল করছে। বাড়ির লোকের কথাও শোনে না। অনেকবার বলেছিলাম। শোনেনি। এবার যদি কাজ হয়!” তিনি এও জানিয়েছেন, এখনও সবার চুল কাটা শেষ হয়নি। আরও এমন অনেক ছাত্র আছে। আস্তে আস্তে সবার চুল কাটা হবে।

    আরও পড়ুন: ছাত্রদের চুলে বাহারি স্টাইল, কাঁচি হাতে নিলেন হেডস্যার

    ক্ষীরকুণ্ডি স্কুলের ক্লাস এইটের ছাত্র অভিজিৎ ভূমিজ বলে, “লাল রঙ করেছিলাম পুজোর সময়ে। আজ স্যার কেটে দিলেন।” তাকে জিজ্ঞেস করা হলে অবশ্য সে জানিয়েছে, আর এমনটা করবে না!

    এর আগে ছাত্রদের বাহারি চুলের স্টাইলে জেরবার হয়েছিলেন মুর্শিদাবাদের নিউ ফারাক্কা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলাম। তবে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে ছাত্রদের পথে আনতে চেয়েছিলেন তিনি। ছাত্রদের চুলের স্টাইল ঠিক করতে প্রধান শিক্ষকের অনুরোধে স্কুলে ছুটে আসতে হয় স্থানীয় থানার আইসি, স্কুল পরিদর্শক, অভিভাবকদের। এমনকি ফারাক্কা এলাকার নাপিতদেরও স্কুলে ডেকে পাঠান মনিরুলবাবু। নাপিত সংগঠনকে বলে দেওয়া হয়, কোনও স্কুল ছাত্র সেলুনে গিয়ে চুলে রঙ করে দিতে বললে তাঁরা যেন তা না করেন। এরপর গত সপ্তাহে বীরভূমের লোহারপুরে একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতে কাঁচি নিয়ে ছাত্রদের চুল কেটে সেই ভিডিও ফেসবুকে আপ্লোড করে দেন। এবার পাণ্ডুয়ার স্কুল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More