#Breaking: ভেঙে ফেলা হবে টালা ব্রিজ, সিদ্ধান্ত নবান্নের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: অবশেষে টালা ব্রিজ ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিল সরকার। শুক্রবার টালা ব্রিজের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে বৈঠক ছিল নবান্নে। সূত্রের খবর, এই বৈঠকের পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে ফেলা হবে টাকা ব্রিজ।

    টালা ব্রিজের সংস্কার নিয়ে শুক্রবার দুপুর তিনটের সময় বৈঠক ছিল নবান্নে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও এই বৈঠকে হাজির ছিলেন পুলিশ প্রশাসন এবং রেলের কর্তারা। সেই বৈঠকের পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, শনিবার টালা ব্রিজ পরিদর্শনে যাবে রেল এবং পূর্তদফতর। ব্রিজ পরিদর্শনের করে ১৫ দিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে রিপোর্ট জমা দেবেন তাঁরা। এই রিপোর্ট জমা পড়ার পরেই শুরু হবে ব্রিজ ভাঙার কাজ। এদিনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে টালা ব্রিজের যে অংশ রেলের আওতায় সেই অংশ ভাঙবে রেল। এবং রাজ্যের অধীনে থাকা অংশ ভাঙার দায়িত্ব থাকবে রাজ্য প্রশাসনের হাতে।

    জানা গিয়েছে, জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হবে টালা ব্রিজ ভাঙার কাজ। ব্রিজ ভাঙা কমপ্লিট হলে এক বছরের মধ‍্যে নতুন ব্রিজ তৈরির কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ‍্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, পূর্তদফতরের আধিকারিকরা বৈঠকে আরও কিছুটা ব্রিজ তৈরির কাজ শেষ করার জন্য। কারণ এর মধ‍্যে রেলের অংশের নির্মাণও আছে। কিন্তু মুখ‍্যমন্ত্রী জানিয়েছেন ওই এলাকার স্থানীয়দের এবং নিত্যযাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করতে হবে। বৈঠকে উপস্থিত রেলের আধিকারিকদেরও মুখ‍্যমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন রেলের অংশের ক্ষেত্রেও তারা যেন দ্রুততার সঙ্গে ছাড়পত্র দিয়ে কাজটা করে করা হয়।

    সম্পূর্ণ ভাবে টালা ব্রিজ ভেঙে ফেলা হলে দুর্ভোগে পড়বেন নিত্যযাত্রীরা। সেজন্য বিকল্প রুট বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পরিবহণ দফতরকে। বদল করা হবে বেশ কিছু সরকারি বাসের রুটও। এদিনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সরকারি বাসের রুট পরিবর্তন হলেও বদল হবে না বাস ভাড়ায়। ঘুরপথে গন্তব্যে পৌঁছলেও যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হবে না।

    মাঝেরহাট ব্রিজ ভেঙে পড়ার পর থেকেই রাজ্য জুড়ে চলছিল বিভিন্ন ব্রিজের স্বাস্থ্যপরীক্ষা। সেই সময়েই সামনে আসে টালা ব্রিজের বেহাল দশার কথা। প্রাথমিক ভাবে ব্রিজে ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। দুর্গাপুজো শুরুর আগে থেকেই টালা ব্রিজে বন্ধ হয়ে যায় বাস চলাচল। পঞ্চমীর দিন ব্রিজ পরিদর্শনে যান ব্রিজ বিশেষজ্ঞ ভি কে রায়না। তাঁর রিপোর্টেও টালা ব্রিজ সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে ফেলে নতুন ব্রিজ তৈরির সুপারিশ করা হয়।

    টালা ব্রিজ ভেঙে ফেলা হলে যাত্রী দুর্ভোগ এড়াতে অতিরিক্ত রেক চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেট্রো রেল দফতর। সূত্রের খবর, অতিরিক্ত ১২ থেকে ১৩টি রেক চালানো হবে। ইতিমধ্যেই টালা ব্রিজে বিভ্রাটের জেরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছে ২৩০ রুটের বাস। বন্ধ হয়েছে প্রায় ৯টি রুটের অন্তত সাড়ে তিনশ বাস।

    পড়ুন ‘দ্য ওয়াল’ পুজো ম্যাগাজিন ২০১৯–এ প্রকাশিত গল্প

    প্রতিফলন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More