বঙ্গ বিজেপি-র রথযাত্রা: আজ সংক্রান্তির দিনই ফয়সালা হতে পারে কার পৌষ মাস

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আদালতের গাড্ডা থেকে কি বাংলার রাস্তায় উঠবে বিজেপি-র রথযাত্রা? মঙ্গলবারই চূড়ান্ত রায় দিতে পারে দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টে চূড়ান্ত শুনানি হওয়ার কথা মঙ্গলবার। তারপরই রথের রায় দিতে পারে আদালত।

ডিসেম্বরের ৭ তারিখ থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল বঙ্গ বিজেপির রথযাত্রা। কোচবিহার, গঙ্গাসাগর এবং তারাপীঠ থেকে তিনটি যাত্রা বের করার পরিকল্পনা করেছিলেন ৬ নম্বর মুরলীধর সেন লেনের ম্যানেজাররা। কিন্তু আইনি জটিলতায় সব পরিকল্পনায় একপ্রকার জল পড়ে যায়।

আরও পড়ুন BREAKING: স্নাতক বা স্নাতকোত্তর করলেই স্কুলে শিক্ষক হিসেবে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ, বেতন ২০০০ থেকে ২৫০০: ঘোষণা মমতার

অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে রাজ্যের কাছে তিনটি যাত্রার জন্য অনুমতি চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষরা। কিন্তু নবান্ন ‘হ্যাঁ’-‘না’ কিছুই না বলায় রাজ্য বিজেপি আদলতের দ্বারস্থ হয়। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ রায় দেয় ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত যাত্রা স্থগিত। চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় গেরুয়া শিবির। ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে নির্দেশ দেয় বিজেপি-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসে রথের পথ ঠিক করতে। লালবাজারে বৈঠকে বসে দু’পক্ষ। কিন্তু তার একদিন পর বিজেপি রাজ্য দফতরে ফ্যাক্স করে নবান্ন জানিয়ে দেয়, নিরাপত্তা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুন্ন রাখতে রথযাত্রায় অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে না।

ফের মামলা যায় সিঙ্গল বেঞ্চে। দ্বিতীয় দফায় সিঙ্গল বেঞ্চ রথযাত্রায় ছাড়পত্র দেয়। কিন্তু এর মাঝেই রাজ্যের তরফে মুখ বন্ধ খামে গোয়েন্দা রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় আদালতে। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এরপর ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। সেখানে রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত বলেন, গোয়েন্দা রিপোর্ট পড়েও দেখেনি সিঙ্গল বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চ ফের আটকে দেয় রথ। এরপর গঙ্গাপারের হাইকোর্ট থেকে মামলা যায় দিল্লি দরবারে।

তিনটি রথযাত্রারই উদ্বোধন করার কথা ছিল সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের। মাঝে অন্তত তিনটি সভা করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরও। কিন্তু আইনি জটিলতায় সবটাই ভেস্তে যায়। গত মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে বিজেপি জানিয়েছিল, ৪০ দিনের বদলে তারা ২০ দিনে রথযাত্রা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। গেরুয়াশিবিরের পক্ষ থেকে এও জানানো হয়েছিল সে ক্ষেত্রে তিনটি নয়, চারটি যাত্রা বের করবে তারা। কারণ, ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখের মধ্যে যাত্রা শেষ করতে হবে। মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়ে গেলে মাইক ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু গত শুনানিতে রাজ্যের তরফে সওয়ালকারী আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আদালতকে গোয়েন্দা রিপোর্ট পড়ে দেখার আবেদন করেন। সে দিন আদালত মঙ্গলবার চূড়ান্ত শুনানির কথা জানিয়েছিল।

ফলে সংক্রান্তির সকাল থেকেই রাজনৈতিক মহলের চোখ থাকবে সুপ্রিম কোর্টের দিকে। রাজনৈতিক পৌষ মাস হবে কার। বিজেপি-র নাকি রাজ্যের?

The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More