সফল অস্ত্রোপচারে মল্লিকার অঙ্গ বসল মৌমিতাদের শরীরে

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিলচাঁদ সিং-এর পর আবার শহরে সফল অঙ্গ প্রতিস্থাপন।

    দিন কয়েক আগেই শিলিগুড়ির বাসিন্দা মল্লিকা মজুমদার (১৫) কানে সংক্রমণ নিয়ে ভর্তি হন এসএসকেএম হাসপাতালে। ক্রমেই তাঁর অবস্থার অবনতি হতে থাকে। শুক্রবার ব্রেন ডেথ হয় তাঁর। চিকিৎসকরা মল্লিকার বাবাকে বলতেই দেহদানে রাজি হয় পরিবার। সন্তান শোকের পরেও গাড়ি চালক বাবাকে বিশেষ বোঝাতে হয়নি বলেও জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অবশেষে শনিবার ভোরে মল্লিকার দুটি কিডনি এবং লিভার প্রতিস্থাপন করা হলো তিনজন রোগীর শরীরে।

    রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ অপারেশন থিয়েটারে শুরু হয় অঙ্গ বের করার কাজ। ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ লিভার নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স এসএসকেএম থেকে রওনা দেয় অ্যাপোলোর দিকে। গ্রীন করিডোরের মাধ্যমে ১৩মিনিটে পৌঁছয় সেখানে। রাতেই হায়দ্রাবাদ থেকে অজয় রমাকান্ত নায়েক নামের এক রোগীকে নিয়ে আসা হয় কলকাতায়। মল্লিকার লিভার প্রতিস্থাপন করা হয় তাঁর শরীরে।

    অন্যদিকে মৃতার দুটি কিডনি এসএসকেএম হাসপাতালেই প্রতিস্থাপন করা হয়। খড়দার বাসিন্দা মৌমিতা চক্রবর্তী এবং সোদপুরের বাসিন্দা সঞ্জীব দাসের শরীরে প্রতিস্থাপিত হয় মল্লিকার কিডনি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে মল্লিকার রেটিনাও কাজে লাগানো হবে। তার ত্বকের কোষ রাখা হয়েছে এসএসকেএমের স্কিন ব্যাঙ্কে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। তিন জন রোগীই সুস্থ আছেন।

    আরও পড়ুন: রাতেই গ্রীন করিডর, মল্লিকা বেঁচে থাকবে চোখ, কিডনি, লিভারে

    মল্লিকার হৃদপিণ্ড সচল ছিল। অনেক খুঁজেও সেটি দান করার জন্য কোনও রোগী খুঁজে পাচ্ছিলেন না ডাক্তাররা। শুক্রবার রাতে দিল্লির এইমস হাসপাতালে এক রোগীকে চিহ্নিত করা গিয়েছিল ঠিকই। কিন্তু শনিবার সকালের আগে দিল্লি থেকে কোনও বিমান নেই। ফলে মল্লিকার হৃদপিণ্ড কাজে লাগানো যায়নি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More