হাওড়ার কন্টেনমেন্ট জোনে মিড-ডে মিলের জন্য হুড়োহুড়ি ছাত্রীদের, ভুল হয়েছে, মানলেন ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাওড়া ময়দান ও কালীবাবুর বাজারের সংযোগকারী চিন্তামণি দে রোড এখন কন্টেনমেন্ট জোন। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয়ে যাবে লকডাউন। তার মধ্যেই একটি স্কুলে দেখা গেল মিড-ডে মিলের জন্য হুড়োহুড়ি। সামাজিক দূরত্বের কোনও চিহ্নমাত্র ছিল না সেখানে। স্কুলটিকে দেখে মনে হচ্ছিল না যে রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আর পশ্চিমবঙ্গে প্রথম তিনের মধ্যে রয়েছে হাওড়া শহর।

    কন্টেনমেন্ট জোনের মধ্যেই রয়েছে মধ্য হাওড়ার শিক্ষা সদন স্কুল। সেখানে প্রশ্নপত্র এবং মিড-ডে মিল নেওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছিল ছাত্রীদের মধ্যে। নিরাপদ দূরত্বের কোনও বালাই ছিল না তাদের মধ্যে। অভিভাবকরাও ছিলেন তাদের সঙ্গে। তাঁদের মধ্যেও কোনও হেলদোল দেখা যায়নি।

    বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চিন্তামণি দে রোডে অবস্থিত শিক্ষা সদন স্কুলের সামনে সবচেয়ে বেশি মাইকে প্রচার করেছে পুলিশ। তা সত্ত্বেও সেখানে স্কুলে ছাত্রীদের ভিড় এড়ানো যায়নি। করোনা সংক্রমণের জেরে এলাকাটি কন্টেনমেন্ট জোন জেনেও প্রশ্নপত্র বিলি করেন শিক্ষিকারা। পরে সেখানে সাংবাদিকদের দেখে ছাত্রীদের বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। শুধু ছাত্রীরা নয়, তাদের অভিবাবকরাও স্কুলের ভিতরে ও বাইরে ভিড় করেছিলেন।

    হাওড়া জেলার বিভিন্ন অংশে নতুন করে শুরু হচ্ছে লকডাউন। রাজ্যের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মোটের উপরে বন্ধ। সেখানে এই পরিস্থিতিতে কেন ছাত্রীরা স্কুলে এসেছে সেই প্রশ্ন উঠছে। কোনও রকম রাখঢাক না করেই নিশা গুপ্তা নামে এক ছাত্রী জানিয়ে দেয়, “আমাদের আসার কথা বলে স্কুল থেকে মেসেজ পাঠানো হয়েছিল। তাই আমরা এসেছি।” অনিল রাম নামে এক অভিভাবক বলেন, “করোনা যখন মহামারীর আকার নিয়েছে, বিশেষ করে স্কুলটি এমন একটি জায়গায় অবস্থিত যেখানে সংক্রমণ রয়েছে এবং এলাকাটি প্রথম থেকেই কন্টেনমেন্ট জোন, সেখানে পড়ুয়াদের ডেকে পাঠিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ ঠিক কাজ করেনি।”

    ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক নিরালা কুমার জানান, “আমরা কেবল অভিভাবকদের আসতে বলেছিলাম কিন্তু তাঁদের সঙ্গে বেশ কয়েক জন ছাত্রী স্কুলে চলে এসেছে।” যদি ভুল করেই ছাত্রীরা চলে এসে থাকে তাহলে তাদের কেন স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হল? সামাজিক দূরত্বের বিধিই বা মানা হল না কেন? এই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। তবে তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন যে এটা ভুল হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More