মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২১
TheWall
TheWall

খাগড়াগড় বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ডকে ছিনতাইয়ের ছক বানচাল, এসটিএফ-এর হাতে গ্রেফতার দুই জামাত জঙ্গি

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বড় সাফল্য পেল কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে মঙ্গলবার গভীর রাতে রঘুনাথগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হল দুই জামাত জঙ্গিকে। পুলিশ জানিয়েছে, খাগড়াগড় বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ড কওসরকে ছিনতাই করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল এই দু’জন। ধৃতদের নাম মসিবুর রহমান এবং রাহুল আমিন।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত দু’জনই বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জামাতের উপরের সারির নেতা। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণ সালফিউরিক অ্যাসিড, অ্যালুমিনিয়াম গুঁড়ো-সহ অন্যান্য বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের অনুমান, অ্যাসিড বোমা তৈরির জন্যই এই সমস্ত মজুত করেছিল তারা। মুর্শিদাবাদ থেকে বুধবার সকালে কলকাতায় নিয়ে আসা হয় দু’জনকে।

খাগড়াগড় বিস্ফোরণের মূল চক্রী কওসর আলি আপাতত প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি। গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে খবর ছিল, কওসরকে পুলিশ ভ্যান থেকে ছিনতাই করার ছক করেছে জামাত। পুলিশের একটি সূত্র জানাচ্ছে, গত দেড় মাস ধরে মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় আস্তানা বদল করেছে মসিবুর এবং রাহুল। দিন পনেরো আগে জলঙ্গিতে এদের নাগালে পেয়েও ধরতে পারেনি। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে ডেরায় গিয়ে দুই জঙ্গিকে ধরে পুলিশ।

খাগড়াগড় কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত কওসর বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণেও অন্যতম অভিযুক্ত। জানা গিয়েছে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণ মামলার শুনানির জন্য কলকাতা থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে কওসরকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে। পুলিশের অনুমান, ওই দিনই তাকে ছিনতাইয়ের ব্লুপ্রিন্ট ছকা হয়েছিল।

২০১৪ সালে গান্ধী জয়ন্তীর দিন বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। একটি বাড়ির দোতলায় জামাত জঙ্গিদের ঘাঁটিতে ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রথমে অবিভক্ত বর্ধমান পুলিশের তরফে বলা হয় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়েছে। কিন্তু পরে পরিষ্কার হয় সিলিন্ডার নয়, আরডিএক্স ফেটেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। প্রসঙ্গত, যে বাড়ির উপরে এই জঙ্গি ঘাঁটি ছিল, সেই বাড়ির একতলাতেই ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস। যদিও শাসক দলের তরফে জানানো হয়েছিল, এ ব্যাপারে তারা কিছুই জানত না। পেনের প্যাকিং-এর আড়ালে জঙ্গি কার্যকলাপ চলত বলে জানা গিয়েছিল। তদন্তে এসেছিল এনআইএ-ও।

Share.

Comments are closed.