ময়নাগুড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গোখরো, ছুটে পালালেন নার্স, জলপাইগুড়ির ইকোসিটির কাছে ছাগল গিলে খেল পাইথন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: ময়নাগুড়ির চূড়াভাণ্ডারে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের রান্নাঘরে বড় মাপের গোখরো সাপ দেখে ভয়ে ছুটে পালালেন নার্স। তিনি তাঁর কোয়ার্টার্সের ভিতরে রান্না করতে গিয়ে বেসিনের কল খুলতে যান। তখনই তিনি লক্ষ করেন বেসিন বেয়ে নামছে একটি বড় মাপের গোখরো। সাপ দেখে চিৎকার করে সেই ঘর থেকে ছুটে পালান।

    ঘর থেকে ছুটে বেরিয়ে তিনি খবর দেন কর্তব্যরত চিকিৎসককে। সেই চিকিৎসক খবর দেন ময়নাগুড়ির একটি পরিবেশপ্রেমী সংগঠনের সম্পাদক নন্দু রায়কে। খবর পেয়েই দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান নন্দু রায়। তাঁরা উদ্ধার করেন সাপটিকে। তাতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সিং স্টাফ-সহ সমস্ত কর্মী।

    নন্দু রায় জানান, তিনি এসে দেখেন ঘরে সাপটি নেই। খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে দেখেন বেসিনের পাইপের ভিতরে ঢুকে রয়েছে সাপটি। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় সাপটিকে উদ্ধার করেন তিনি। পরে তিনি বলেন, “এটি একটি স্পেকটাকেলস কোবরা। সাপটি সুস্থ থাকায় সেটিকে হাসপাতাল থেকে কিছুটা দূরে ছেড়ে দেওয়া হয়।”

     সাপটিকে উদ্ধার করেন পরিবেশপ্রেমী সংগঠনের কর্মীরা।

    জলপাইগুড়ির পাঙা বটতলা ইকোসিটি এলাকার গ্রামে সোমবার একটি পাইথনের দেখা মিলেছিল। আস্ত একটি ছাগল গিলে খেয়ে তার পেট ফুলে গিয়েছিল। তাই সে নড়তে পারছিল না।

    ইকোসিটি এলাকার গ্রামে রবিবার বিকেলে স্থানীয় এক বাসিন্দার একটি ছাগল খোয়া যায়। সোমবার সকালে তাঁরা ছাগলটিকে খুঁজতে খুঁজতে চলে যান পাঙা বটতলা এলাকার একটি চায়ের বাগানে। সেখানে গিয়ে গ্রামবাসীরা দেখতে পান একটি বিশাল মাপের পাইথন ছাগলটিকে গিলে খাচ্ছে। এমন দৃশ্য দেখে তাঁরা চিৎকার করে ওঠেন। তখন আশপাশের এলাকা থেকে ছুটে আসেন গ্রামের বাসিন্দারা। এরপর তাঁরা পাইথনটিকে লক্ষ রেখে খবর দেন বেলাকোবা রেঞ্জ অফিসে। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই বেলাকোবার রেঞ্জার সঞ্জয় দত্ত তাঁর দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে হাজির হন। সেখান থেকে তাঁরা উদ্ধার করে নিয়ে যান সাপটিকে।

    সঞ্জয় দত্ত টেলিফোনে বলেন, “এত বড় পাইথন দেখতে এলাকায় প্রচুর লোকের ভিড় জমে যায়। আমরা পাইথনটিকে উদ্ধার করে রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসি। এটি একটি ইন্ডিয়ান রক পাইথন।” সাপটি সম্পূর্ণ সুস্থ থাকায় সেটিকে বৈকুণ্ঠপুরের গভীর বনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। ক্রমাগত সচেতনতামূলক প্রচার করতে থাকায় এখন জলপাইগুড়ি জেলায় লোকে সাপ দেখতে পেলেই পরিবেশকর্মীদের অথবা স্থানীয় বনাধিকারিকের অফিসে খবর দেন। ফলে এই জেলায় বন্যপ্রাণীরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি রক্ষা পাচ্ছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More