বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৫

ঝাড়গ্রাম থেকে কলাইকুন্ডা হয়ে বীরভূম পৌঁছোতেই পারলেন না স্মৃতি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রথযাত্রা আদালতের চৌকাঠে আটকানো থেকে সেই শুরু। তারপর থেকে বিপর্যয় যেন পিছু ছাড়ছে না বাংলা বিজেপি-র কর্মসূচিতে। একের পর এক লেগেই রয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনা ঘটল বুধবার। হেলিকপ্টার নামার জটিলতায় ঝাড়গ্রাম থেকে বীরভূমের সিউড়ির জনসভায় যোগ দিতেই পারলেন না কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী স্মৃতি জুবিন ইরানি।

আরও পড়ুন অমিত শাহ নেই, তবু উপচে গেল ঝাড়গ্রামে বিজেপি-র সভা

এ দিন ঝাড়গ্রাম এবং বীরভূমে জোড়া কর্মসূচি নিয়েছিল বিজেপি। বিজেপি কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বলেন, “কবে আমরা অনুমতি চেয়েছি। আজ সকালে অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। সভা হয়েছে ঝাড়গ্রামে। স্মৃতিজির হেলিকপ্টার নেমেছে কলাইকুন্ডাইতে। রাজ্য সরকার প্রতিজ্ঞা করেছে অসহযোগিতা করবে। এই অসভ্যতা মানুষ দেখছেন।” তিনি আরও বলেন, “আমরা চেয়েছিলাম সভাস্থলের কাছাকাছি কোথাও একটা হেলিকপ্টার নামুক। কিন্তু প্রশাসন সেই অনুমতি দেয়নি।” প্রসঙ্গত, ঝাড়গ্রামে খুব অল্প সময় বক্তৃতা করেন স্মৃতি। তাড়া ছিল বীরভূম যাওয়ার। কিন্তু ঝাড়গ্রাম থেকে কলাইকুন্ডাই পৌঁছতে যে সময় লাগে এবং সেখান থেকে বীরভূমের সভা শেষ হওয়া পর্যন্ত আনুমানিক সময়ের হিসেব করে দেখা যায় কোনওভাবেই তা বিকেল সাড়ে পাঁচটার আগে হওয়া সম্ভব নয়। যেহেতু আলো কমে এলে হেলিকপ্টার আকাশে উড়তে পারে না, তাই বীরভূম সফর বাতিল করতে হয় স্মৃতিকে।

রথযাত্রা বাতিল হওয়ার পর রাজ্য বিজেপি ঠিক করে ২০-২৫ জানুয়ারি সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহকে বাংলায় এনে কার্পেট বম্বিং করানো হবে। পাঁচ পাঁচটি জনসভার তারিখ এবং স্থান ঘোষণা করে বিজেপি। এর মাঝেই সোয়াইন ফ্লু নিয়ে দিল্লির এইমস হাসপাতালে ভর্তি হন শাহ। সভার তারিখ দু’দিন করে পিছিয়ে দেয় বাংলা বিজেপি। গতকাল অমিত শাহ গা পুড়ে যাওয়া জ্বর নিয়েই দিল্লি থেকে বাগডোগরা হয়ে মালদহে এসেছিলেন। কিন্তু শরীর এতটাই খারাপ হয় যে, দিল্লি ফিরে যেতে বাধ্য হন। তখনই ঠিক হয়েছিল রাজ্য এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ভাগাভাগি করে বাকি সভাগুলি সামলে দেবেন। কিন্তু তাতেও এ দিন ঘটল বিপত্তি।

The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন  

Shares

Comments are closed.