করোনাভাইরাস রুখতে ছোট ফটক বন্ধ করে পাঁচিল, ঘেরাটোপে চিত্তরঞ্জন রেল কলোনি

কলোনির মধ্য দিয়ে অবাধে যাতায়াত করতেন ভিনরাজ্যের লোকজনও

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: বহিরাগতদের প্রবেশ রুখতে অবশেষে সমস্ত ছোট ফটক খুলে ফেলে সেই জায়গায় পাঁচিল তুলে দেওয়া হল চিত্তরঞ্জন রেল কলোনিতে। পাঁচিলের যে সব অংশ ভেঙে গিয়েছিল সেগুলিও মেরামত করা শুরু হয়েছে বুধবার। প্রধান ফটকে পাহারা থাকলেও ছোট ফটকগুলি দিয়ে অবাধে যাতায়াত চলত পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের মধ্যে। করোনাভাইরাসের সতর্কতার জন্য দেশজুড়ে লকডাউনের সময়েও তা বন্ধ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে পাঁচিল তুলে ঘিরে দেওয়া হল চিত্তরঞ্জন রেল কলোনি।

    চিত্তরঞ্জন রেল কলোনি ও কারখানায় ঢোকার প্রধান ফটকের সংখ্যা তিন। এছাড়া ছ’টার বেশি ছোট ছোট ফটক রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় পাঁচিল ভেঙেও গেছে। কোনও এক সময় পুরো কলোনি পাঁচিল দিয়ে ঘেরা থাকলেও সময়ের সঙ্গে পাঁচিল ভেঙে পড়াকে কেউ গুরুত্ব দেননি। প্রহরাবিহীন ছোট গেট ও পাঁচিলের ভাঙা অংশ দিয়ে পাশের রাজ্যের মানুষজন কলোনির ভিতরে চলে আসতেন। মূল তিনটে ফটকে নিরাপত্তা রক্ষী থাকলেও ছোট ফটকগুলিতে কোনও নিরাপত্তারক্ষী থাকেন না। সেই সুযোগেই ঝাড়খণ্ডের লোকজন ঢুকে পড়তেন।

    নিরাপত্তারক্ষীরা বেশ কয়েক বার নিষেধ করেছেন বটে কিন্তু তাতে এই কলোনির মধ্যে ভিনরাজ্যের মানুষজনের প্রবেশ বন্ধ কার যায়নি। করোনা নিয়ে সতর্কতার জেরে পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের সীমানা বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। তার জেরেই বুধবার চিত্তরঞ্জন রেল কর্তৃপক্ষ ভাঙা পাঁচিল মেরামত করেন এবং একই সঙ্গে ছোট ফটকগুলি পাঁচিল তুলে বন্ধ করে দেন।

    কর্তৃপক্ষের জানিয়েছেন যে কলোনি এলাকায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে তিনটে প্রধান ফটকে পরিচয়পত্র পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রেলের চিকিৎসকরা স্বাস্থ্যও পরীক্ষা করছেন। এই দুটি জিনিস পরীক্ষা করার পরেই কাউকে ভিতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার থেকে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More