ছেলে আটকে বাংলাদেশে, দিনাজপুরে জীবন-মরণ সমস্যায় অসুস্থ দম্পতি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কে জানত এমনটা হবে!

লকডাউনের ফলে ছেলে আটকে পড়েছেন বাংলাদেশে। এদিকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুরের বাসিন্দা গিরিশচন্দ্র পাল এবং জোৎস্নারানি পাল পড়েছেন মহা বিপদে। কিডনির অসুখে জর্জরিত দম্পতি এখন কূল-কিনারা পাচ্ছেন না। পথ চেয়ে বসে রয়েছেন, কবে আসবেন ছেলে!

জোৎস্নাদেবীর মা জীবীত রয়েছেন। তিনিও অসুস্থ। কিন্তু তিনি থাকেন বাংলাদেশে। মায়ের শরীর খারাপের খবর পেয়ে নিজে যেতে পারবেন না দেখে ছেলে শ্যামলকে পাঠিয়েছিলেন দিদিমার সঙ্গে দেখা করে আসার জন্য। কিন্তু সেখানে গিয়েই আটকে পড়েছেন শ্যামল।

আপাতত হরিরামপুরের বাড়ি ছেড়ে মেয়ের বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ গোয়ালপাড়ায় রয়েছেন গিরিশবাবু এবং জোৎস্নারানিদেবী। প্রশাসনিক সাহায্য চাইতে দক্ষিণ দিনাজপুরও যেতে পারছেন না রোগাক্রান্ত ওই দম্পতি। এখন শুধুই ছেলেকে দেশে ফেরানোর জন্য সরকারের সাহায্য চাইছেন তাঁরা।

বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার আত্রেয়ী থানার মির্জাপুরে আটকে রয়েছেন শ্যামল। ভিডিও কলে বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলা ছাড়া আর কিছুই করতে পারছেন না তিনি। ভারতের হাই কমিশন অফিসে যোগাযোগ করলে তাঁকে জানানো হয়েছে, এখনও হিলি বর্ডার খোলেনি। তাই এখন ফেরার কোনও সম্ভাবনা তাঁরা দেখতে পাচ্ছেন না।

গিরিশবাবুর জামাই স্বপন চাকি একটি ছোট দশকর্মার দোকান চালান। লকডাউনে তাঁর বযবসায় মন্দা এসেছে। তার মধ্যেই চার মাস ধরে শ্বশুর-শাশুড়ির পুরো দায়িত্ব তাঁর কাঁধে এসে পড়েছে। তিনি জানিয়েছেন, শ্যালক শ্যামল ১ মার্চ বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। সেই থেকেই আটকে রয়েছেন। প্রশাসনের কাছে অসুস্থ বৃদ্ধ দম্পতির আর্জি, কিছু একটা ব্যবস্থা করুক সরকার। ছেলেটা যাতে ফিরতে পারে। না হলে তাঁদের চিকিৎসাটুকুও করানো যাচ্ছে না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More