ডাক পেলেন না দিলীপ, বিজেপি নেতার ঘরের মাঠে রাবণ পোড়ালেন শুভেন্দু

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিলীপ ঘোষের ঘরের মাঠ। আর সেখানেই তির ছুড়লেন তৃণমূলের প্রবাদপ্রতিম নেতা তথা রাজ্যের পরিবহণ ও সেচমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফ্রেমেই এলেন না মেদিনীপুরের সাংসদ তথা বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি। তাঁর বদলে খড়্গপুরের রাবণ পোড়া ময়দানে দশেরার রাবণ বধ অনুষ্ঠানের মঞ্চ আলো করে রইলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    গত বছরও একজি ছবি দেখা গিয়েছিল। তখন দিলীপবাবু ছিলেন খড়্গপুর সদর কেন্দ্রের বিধায়ক। কিন্তু এ বার তিনি সংসদে পৌঁছে গিয়েছেন। তা-ও উদ্যোক্তাদের অতিথি তালিকায় জায়গা হল না দিলীপবাবুর। রেল শহরে গিয়ে রাবণ দহনে যোগ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    দিলীপবাবু এবং শুভেন্দু দু’জনেই অবিভক্ত মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র। দিলীপ ঘোষের জন্ম গোপীবল্লভপুরে এবং শুভেন্দুর কাঁথিতে। দু’জনেই জানেন খড়্গপুরে এই অনুষ্ঠানের গুরুত্বের কথা। অনেকেই এই শহরকে মিনি ভারতবর্ষ বলে আখ্যা দেন। বিহার, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ—প্রায় সব জায়গায়র লোকের বসবাস। সাধারণ দৃষ্টিতে এর মধ্যে রাজনীতি না থাকলেও অনেকেই এর ভিতরে পুরদস্তুর রাজনৈতিক লড়াই দেখছেন। তাঁদের কথায়, তৃণমূলের হাতে বিধাননগর বিধানসভা এবং কর্পোরেশন। সেখানে এসে যদি অমিত শাহ পুজো উদ্বোধন করেন, সেটা যেমন শাসক দলের পক্ষে খুব একটা সুখকর হয় না, তেমন বিজেপি-র গড়ে যদি তৃণমূলের মন্ত্রীর রাবণ দহনে তির ছোড়েন তাহলে তা গেরুয়া শিবিরের জন্যও একই রকম অস্বস্তিকর।

    র ১২ দিন আগে দিলীপ ঘোষের এলাকায় ঢুকে রাবণ দহন করে এলেন।

    যদিও বিজেপি নেতারা এ সবে আমল দিচ্ছেন না। দলের এক মুখপাত্র বলেন, “এতে ভোটের ফলাফল বদলায় না। আগের বারও তো উনি এসেছিলেন। তাতে কী হয়েছে? মানস ভুঁইয়া কি খড়্গপুর থেকে একটা ভোটেও লিড পেয়েছিলেন?”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More