করোনা দমনে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ লাইনে চালু হল স্যানিটাইজার টানেল

ওষুধ বেরিয়ে দশ সেকেন্ডের মধ্যে জীবাণুমুক্ত করে দেবে যিনি ওর মধ্যে ঢুকছেন তাঁকে। স্পিরিট-বেসড হওয়ায় কয়েক সেকেন্ডেই ভিজে ভাব চলে যাবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ লাইনে প্রবেশ করতে হবে স্যানিটাইজার টানেলের ভেতর দিয়ে। আজ বুধবার থেকেই এই পদ্ধতি চালু হয়ে গেল। এদিন আনুষ্ঠানিক ভাবে এই স্যানিটাইজার টানেলের উদ্বোধন করেন জেলা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার।

    স্যানিটাইজ টানেল হল একটি ছোট্ট কুঠুরি যার মধ্য দিয়ে ঢুকতে হবে। এর মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় স্প্রে করার যন্ত্র রয়েছে। সেখান থেকে ওষুধ বেরিয়ে দশ সেকেন্ডের মধ্যে জীবাণুমুক্ত করে দেবে যিনি ওর মধ্যে ঢুকছেন তাঁকে। স্পিরিট-বেসড হওয়ায় কয়েক সেকেন্ডেই ভিজে ভাব চলে যাবে। কাজের প্রয়োজনে পুলিশকে পুরো এলাকায় টহল দিতে হয় ও বিভিন্ন মানুষের সংস্পর্শে আসতে হয়। তাই এই বন্দোবস্ত।

    করোনা মোকাবিলায় লকডাউন মেনে চলার আবেদন জানিয়ে নববর্ষের দ্বিতীয় দিনে নববর্ষের বাংলা ক্যালেন্ডার বিতরণ করা হয় বিভিন্ন জায়গায়। ‘ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন’ লেখা টি-শার্ট দেওয়া হয় সিভিক ভলান্টিয়ারদের। এগুলি পরে সিভিক ভলান্টিয়ার প্রচার করবেন। প্রয়োজনে পুলিশকর্মীরাও তা পরবেন। সচেতনতামূলক কথা লিখে বেশ কিছু স্টিকার লাগানো হয়েছে বাইকে। যে বাইক আরোহীরা বেশি সময় বাইরে ঘোরাফেরা করেন তাঁদের গাড়িতে এগুলি আগে লাগানো হচ্ছে। জেলা পুলিশ সুপার বলেন, “করোনা মোকাবিলায় সরকারের নির্দেশে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। এই অবস্থায় জেলা পুলিশ আরও কড়া পদক্ষেপ করে লকডাউনকে সম্পূর্ণ সফল করার ক্ষেত্রে তৎপর ভূমিকা পালন করছে এবং আগামীদিনেও তা করবে।”

    মেদিনীপুরে লকডাউন অগ্রাহ্য করে অনেকেই পথে নামছেন অকারণ। কখনও পুলিশকর্মীরা বাইক আরোহীর থেকে চাবি নিয়ে আধ ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রেখে তবেই ছাড়ছেন। কখনও পথচারীদের জনে জনে জিজ্ঞসা করছেন কে কেন পথে নেমেছেন।

    লকডাউনের মধ্যে অনেকেই পথে নামার অজুহাত হিসাবে পুরনো প্রেসক্রিপশন সঙ্গে রাখছেন। পুলিশকর্মীরা তাঁদের সঙ্গে ওষুধের দোকান পর্যন্ত গিয়ে যখনই পর্যাপ্ত ওষুধ কিনতে বলছেন তখনই লোকজন থতমত খাচ্ছেন। তখন পুলিশকর্মীরা তাঁদের বোঝাচ্ছেন নিয়ম মেনে চলতে।

    যাঁরা অকারণ পথে বের হচ্ছেন অনেক সময় পুলিশ তাঁদের দাঁড় করিয়ে রাখছেন। এসব করে লোকে এখন অনেকটাই সতর্ক হয়েছেন। বিভিন্ন বাজারে ভিড় নিয়ন্ত্রণেও পুলিশ সচেষ্ট। যাঁরা এখনও মাস্ক পরছেন না পুলিশ তাঁদেরও সতর্ক করছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More