শনিবার, মে ২৫

সভা থেকে রোড শো, শেষ বেলার প্রচারে বালুরঘাটে ঝড় তুললেন রাজীব

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুরে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে চড়া সুরে আক্রমণ শানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার ভোট বালুরঘাটে। রবিবার ছিল শেষ প্রচার। আর শেষ বেলার প্রচারে সেই বুনিয়াদপুরেই তৃণমূলের হয়ে ঝড় তুললেন রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ মন্ত্রী তথা ডোমজুড়ের বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

এ দিন বুনিয়াদপুর বাসস্ট্যান্ডে সভা করেন রাজীব। তাঁর সঙ্গেই সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা তথা ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী দেব এবং পরিবহণ ও পরিবেশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মানুষের ভিড়ে ঠাসা সভায় দাঁড়িয়ে বিজেপি-কে পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে রাজীব বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এখানে এসে মিথ্যাচার করে গিয়েছেন। তাঁর বক্তৃতা ছিল আগা গোড়া মিথ্যায় ভরা। এখানকার মানুষ তার জবাব দিন।” শুভেন্দুর অভিযোগ, “মাঠ ভরাতে বিজেপি মালদহ এবং ঝাড়খণ্ড থেকে লোক এনেছিল। তৃণমূলের সভায় ভিড় করতে বাইরে থেকে লোক আনতে হয় না।”

বুনিয়াদপুর থেকেই রাজীব সোজা চলে যান বালুরঘাটে। সেখানে কয়েক হাজার তৃণমূল কর্মীসমর্থককে নিয়ে রোড শো করেন ২০১৬-র ভোটে সর্বাধিক ব্যবধানে জেতা বিধায়ক। ঢাক, ঢোল, তাসা নিয়ে বর্ণাঢ্য মিছিল হয় বালুরঘাটে।

উত্তরবঙ্গে ভোটের শুরু থেকেই সেখানে গিয়ে পড়ে রয়েছেন রাজীব। ফালাকাটার বিধায়ক তথা ব্লক সভাপতি অনিল অধিকারী ভোটের মুখে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে তৃণমূলনেত্রী তড়িঘড়ি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেই দায়িত্ব নিতে বলেন। ফালাকাটার তৃণমূলকর্মীদের বক্তব্য ছিল, হঠাৎ স্থানীয় বিধায়ক অসুস্থ হয়ে পড়ায় সপ্তাহ খানেক তৃণমূলের নির্বাচনী প্রচার কিছুটা হলেও থমকে যায়। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় যাওয়ার পরে আশার আলো দেখতে পান তাঁরা। ইটাহারেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় ছিলেন রাজীব। মাঝে জঙ্গিপুরে গিয়েও প্রচার সেরে এসেছেন। এ বার বালুরঘাট। পর্যবেক্ষকদের মতে, যত দিন যাচ্ছে, রাজীব যেন তৃণমূলের প্রচারে বড় ভরসা হয়ে উঠছেন দিদির।

Shares

Comments are closed.