কাটোয়ায় ফেসবুক লাইভে রবীন্দ্রতর্পণ, ‘কৃষ্টি’র উদ্যোগে সাড়া শহরজুড়ে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা আবহে ফেসবুক লাইভ করে রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হল পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায়। সকাল ন’টা থেকে সাড়ে দশটা পর্যন্ত চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আজ শুক্রবার ২২ শ্রাবণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুদিন। গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজোর মতো আজকের এই দিনটিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান ও কবিতায় উদযাপন করল কাটোয়ার কৃষ্টি ফেসবুক গ্রুপ। পুরো অনুষ্ঠান ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

প্রতি বছর কাটোয়া শহরে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দিনটি উদযাপন করা হয়। এ বছর করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক দূরত্ব বজার রাখার পরামর্শ দিচ্ছে সরকার থেকে চিকিৎসক – অনেকেই। কাটোয়া শহরে এখন সব ধরনের অনুষ্ঠানে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবে রবীন্দ্রনাথকে স্মরণ করার ক্ষেত্রে তা বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।

প্রতি বছর প্রেক্ষাগৃহ ভাড়া করে সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হত। আসনসংখ্যা নির্দিষ্ট থাকায় সেই অনুষ্ঠান সীমাবদ্ধ থাকত মুষ্টিমেয় শ্রোতা-দর্শকের মধ্যে। ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানে অবশ্য সেই বাধা ছিল না। ফলে আগ্রহী সকলেই তা দেখতে পেয়েছেন। যাঁরা কোনও কারণে তা দেখে উঠতে পারেননি তাঁরা পরেও সময় করে দেখতে পারবেন।

খুব অল্প সময়ের প্রস্তুতি সত্ত্বেও বহু মানুষের কাছে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পৌঁছে যেতে পেরে খুশি অনুষ্ঠানে যোগদানকারী  শিল্পীরা। খুশি ওই গ্রুপের অ্যাডমিনরাও।

কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি করেন নন্দন সিংহ ও প্রতাপ মজুমদার।  রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করেন শর্মিলী গুহ, এণাক্ষী গোস্বামী, সুদীপা বক্সী, সোমা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। তাঁদের তবলায় সঙ্গত করেন আবির চৌধুরী, সুবীর বসু ও জানকিনাথ চট্টোপাধ্যায়। এঁরা সকলেই কাটোয়া শহরের শিল্পী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কাটোয়ার কৃষ্টি গ্রুপের অ্যাডমিন সন্দীপ ঘোষচৌধুরী।

সন্দীপ ঘোষ চৌধুরী বলেন, “করোনার কারণে এখন জমায়েত বন্ধ থাকলেও প্রাণের আবেগ থেমে নেই। সেই আবেগ থেকেই আমাদের প্রাণের ঠাকুর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণ দিবস ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে পালন করার চেষ্টা করেছি।” তিনি জানান, বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষ করে ফেসবুক অপব্যবহার করার ফলে অনেকে বিপদে পড়ছেন। অনেকের অনেক রকম ক্ষতি হচ্ছে। ফলে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে বহু লোকের মনে সংশয় তৈরি হচ্ছে। কিন্তু করোনার জন্য সকলে যখন ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন তখন এই সামাজিক মাধ্যমকে অন্য ভাবেও ব্যবহার করা যায়। সুস্থ মানসিকতা নিয়ে অনুষ্ঠান প্রচার করা যায়। তাঁরা সেটাই করেছেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More