রবিবার, অক্টোবর ২০

প্রাথমিক-কলেজ শিক্ষকদের মাইনে বাড়ছে, কিন্তু সার্কুলার কই?  ফের আন্দোলনের পথে দুই সংগঠন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: টানা অনশনের পর তাঁদের দাবির অনেকটা মেনে নিয়েছিল সরকার। প্রশিক্ষিত প্রাথমিক শিক্ষকদের গ্রেড পে বাড়ানোর বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল সরকার। কিন্তু তারপর থেকে এক মাস কেটে গিয়েছে। জারি হয়নি সার্কুলার। এ দিকে হাওড়ার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে গত সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্টেট এডেড কলেজ টিচার্স করে নতুন কাঠামোর কথা ঘোষণা করেছিলেন। যাতে কলেজে কর্মরত চুক্তি ভিত্তিক পূর্ণ সময়ের শিক্ষক, আংশিক সময়ের শিক্ষক এবং অতিথি শিক্ষকদের বেতন কাঠামোর মধ্যে আনা যায়। কিন্তু তারও কোনও নির্দেশিকা জারি হয়নি। সবটাই মৌখিক। দ্রুত তা কার্যকর না হলে, ফের আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে দুই স্তরের শিক্ষক সংগঠন।

প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন উস্তি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য, যা কথা দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তা দ্রুত কার্যকরম করতে হবে। একই সঙ্গে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বেতন কাঠামো নির্দিষ্ট করতে হবে। তা না হলে ফের তাঁরা আন্দোলনে নামবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বিকাশ ভবনের অদূরেই অনশনে বসেন প্রশিক্ষিৎ প্রাথমিক শিক্ষকরা। ১৪ জন শিক্ষকের বদলির সিদ্ধান্ত বাতিল-সহ একাধিক দাবিতে অনশন চলে ১২ দিন। একুশে জুলাই যখন ধর্মতলায় তৃণমূলের শহিদ দিবসের সমাবেশ হচ্ছে, তখন বিকাশ ভবনের সামনে অনশনে শিক্ষকরা। একাধিক বিরোধী রাজনৈতিক নেতা, বুদ্ধিজীবীরা তাঁদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়ান। অবশেষে ২৩ জুলাই ৩৬০০ টাকা গ্রেড পে ঘোষণা করে সরকার।

কলেজ অ্যান্ড ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের দাবি, ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর মৌখিক ঘোষণাকে বাস্তবায়িত করতে হবে। তা না হলে বড়সড় আন্দোলন হবে রাজ্যে। এখন দেখার, এই দুই শিক্ষক সংগঠনের দাবি মেনে সরকার নোটিস জারি করে কি না। না কি ফের শিক্ষক আন্ডলনে উত্তাল হয় হবে বিকাশ ভবন চত্বর।

Comments are closed.