শিলিগুড়িতে লকডাউন নিয়ে কঠোর পুলিশ, বন্ধ করা হল বাজার, নিয়ম ভাঙায় আটক অনেকে

ভিড় এড়াতে এদিন বন্ধ করে দেওয়া হয় শহরের বেশ কয়েকটি বাজার। তবে প্রায় প্রতিটি রুটেই এদিন সরকারি বাস চলতে দেখা গেছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণ রুখতে শিলিগুড়িতে কঠোর মনোভাব দেখাতে শুরু করল পুলিশ। বুধবার নতুন করে লকডাউন চালু হওয়ার পরে তা কার্যকর করতে বৃহস্পতিবার থেকেই পথে নেমেছে পুলিশ।

করোনা সংক্রমণ রুখতে উত্তরবঙ্গের চার শহরে বুধবার থেকে নতুন করে লকডাউন শুরু করার কথা ঘোষণা করা হয়। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই বৃহস্পতিবার সকাল ন’টা থেকে শিলিগুড়িতে শুরু হল লকডাউন। আর এই ‘দ্বিতীয় দফা’র লকডাউন সফল করতে এদিন সকাল থেকেই রাস্তায় নেমে পড়েছিল শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ। কঠোর ভাবে তারা লকডাউন কার্যকর করতে উদ্যোগী হয়। শহরের একাধিক এলাকায় নাকা চেকিংয়ের পাশাপাশি অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় বহু লোককে। তারা প্রত্যেকেই লকডাউনের নিময় ভেঙেছিল।

ভিড় এড়াতে এদিন বন্ধ করে দেওয়া হয় শহরের বেশ কয়েকটি বাজার। তবে প্রায় প্রতিটি রুটেই এদিন সরকারি বাস চলতে দেখা গেছে। যাত্রীর সংখ্যা অবশ্য বেশ কম ছিল প্রতিটি বাসেই।

শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ এদিন সকাল থেকে হাসমিচক, পানিট্যাঙ্কি মোড়, সেবক মোড়, জলপাই মোড় সহ শহরের বিভিন্ন মোড়ে ‘ব্যারিকেড’ দিয়ে রাস্তা আটকে দেয়। উপযুক্ত প্রয়োজন ছাড়া কাউকে যেতে দেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র ছাড় দেওয়া হয় জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত গাড়িগুলিকে। পাশাপাশি অভিযান চালানো হয় মহাবীরস্থান, চম্পাসারি মোড় সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে। এই সব এলাকায় গাড়ির সংখ্যা বেশি থাকে।

শিলিগুড়ি থানার আইসি সুদীপ চক্রবর্তী বৃহস্পতিবার একাধিক এলাকায় মাইকিং করে মানুষকে ঘরে থাকার বার্তা দেন। অভিযান চালানো হয় ভক্তিনগর থানা এবং নিউ জলপাইগুড়ি থানা এলাকায়। লকডাউন উপেক্ষা করায় শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। বহু দোকানপাটও এদিন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে পাড়ায় পাড়ায় বেশ কয়েকটি বাজার খোলার নির্দেশ দেওয়া ছিল। এদিন সকাল থেকে সেই সব বাজারে মাত্রাতিরিক্ত ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বেশি ভিড় দেখা যায় ফুলেশ্বরী বাজারে। অভিযোগ পেয়েই কড়া হাতে নেমে পড়ে শিলিগুড়ি থানার পুলিশ। বাজার বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভিড় হওয়ায় শহরের আরও বেশ কয়েকটি বাজার এদিন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা এদিন বেশ কম ছিল। তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনাসে খুব কম যাত্রীকে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। যাত্রীর সংখ্যা কম থাকলেও এনবিএসটিসির বাস সময়সূচি মেনেই প্রতিটি রুটে চলেছে। বেসরকারি বাসের সংখ্যা ছিল হাতেগোনা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More