মণীশ খুনের ঘটনায় ব্যক্তিগত শত্রুতা থাকতে পারে, অহেতুক জল্পনায় বিরত থাকার পরামর্শ পুলিশের

৪৫

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ টিটাগড়ের বিজেপি নেতা মণীশ শুক্ল খুনের ঘটনায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে অভিযোগ করেছে বিজেপি। এমনকি ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে এসেছিল দুষ্কৃতীরা। কিন্তু এই ঘটনায় ব্যক্তিগত শত্রুতা থাকতে পারে বলে জানাল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। কারণ মণীশ শুক্লর বিরুদ্ধে অনেকগুলি খুনের অভিযোগ ছিল। তাই অহেতুক জল্পনা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে।

এই ঘটনার তদন্ত করছে ব্যারাকপুর কমিশনারেটের পুলিশ। রবিবার রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়েছিল বিশাল পুলিশবাহিনী। নামাতে হয়েছিল কমব্যাট ফোর্সও। সোমবার সকালেও এলাকায় গিয়ে পৌঁছয় পুলিশ। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখে তারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদও করে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজও। প্রাথমিকভাবে পুলিশের তরফে জানানো হয়, দেখে মনে হচ্ছে পরিকল্পনা করেই খুন করা হয়েছে ওই বিজেপি নেতাকে।

তারপর বেলার দিকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের তরফে একটি টুইট করে বলা হয়, “গত সন্ধ্যায় ব্যারাকপুরের টিটাগড় এলাকায় একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ অপরাধের তদন্ত করছে এবং ব্যক্তিগত শত্রুতা সহ সম্ভাব্য সমস্ত কারণ খতিয়ে দেখছে কারণ মৃতব্যক্তি কয়েকটি হত্যা ও হত্যার চেষ্টা মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন।”

পুলিশের তরফে আরও বলা হয়, “যথাযথ তদন্ত ছাড়াই কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হবেন না। সোশ্যাল মিডিয়াতে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করার অর্থ তদন্তে হস্তক্ষেপ করা। দয়া করে এ থেকে বিরত থাকুন।”

রাজ্য পুলিশের এই মন্তব্য থেকে পরিষ্কার সব ধরনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে তারা। পুলিশের অনুমান, শুধুমাত্র রাজনৈতিক শত্রুতা নয়, ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণেও খুন করা হতে পারে বিজেপি নেতাকে। তাই আগে থেকে কোনও ধরনের মন্তব্য করতে রাজি নয় তারা।

অবশ্য এই খুনের ঘটনায় সরাসরি পুলিশকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। গতকাল তিনি বলেন, তৃণমূলের লোকজনই মণীশকে গুলি করেছে। গোটা ঘটনায় পুলিশের হাত রয়েছে। নাহলে থানার কাছে ১৫-১৬ জন মিলে এই ধরনের হামলা চালাতে পারে না। সোমবার অর্জুন ফের অভিযোগ করে বলেন, যে বন্দুক দিয়ে গুলি চালানো হয়েছে, সেটা পুলিশের বন্দুক। থানা থেকেই সেটা দুষ্কৃতীদের দেওয়া হয়েছিল। কাজের পরে তা ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের তরফে টুইটের পরে বিজেপির এক স্থানীয় নেতা জানিয়েছেন, আমাদের সাংসদ গতকালই বলেছেন এই ঘটনায় পুলিশ জড়িত। বারবার অভিযুক্তদের নাম বলার পরেও পুলিশের তরফে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। রাজ্য পুলিশের এই টুইট থেকেই প্রমাণিত হচ্ছে দুষ্কৃতীদের আড়াল করার চেষ্টা করছে পুলিশ। তবে দোষীদের শাস্তির দাবিতে আরও বড় আন্দোলনের পথে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে বিজেপি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More